Showing posts with label খবর. Show all posts
Showing posts with label খবর. Show all posts

Friday, June 3, 2016

Polytechnic ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী:





১. ভর্তিচ্ছুক প্রার্থীকে অন-লাইনে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) প্রথমে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে। অতঃপর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd এর Home page হতে অনলাইন ভর্তি (ডিপ্লোমা পর্যায়) button এ click করে application form open করে যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে । বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের নম্বর পত্রের সত্যায়িত কপি ও পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত রঙ্গীন ছবিসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন পত্র আগামী ১২/০৬/২০১৬ তারিখ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিচতলায় অবস্থিত সেবাকেন্দ্রে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। সংরক্ষিত কোটার আবেদন কারীগণ অন লাইনে আবেদন করার পরে আবেদনের প্রিন্টকপি ও অনুচ্ছেদ ১০.৩ এ বর্ণিত সকল কাগজ ১২/০৬/২০১৬ তারিখের মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিচতলায় অবস্থিত সেবাকেন্দ্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তার কোটা বিবেচিত হবে না। ভর্তির ফরম পূরনের বিস্তারিত নিয়মাবলী কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

২. ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ  টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে DTE লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস. এস. সি. পাশের সন লিখে, স্পেস দিয়ে এস. এস. সি.র রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখে, স্পেস দিয়ে ভর্তির শিফটের নির্ধারক অক্ষর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস (SMS) করতে হবেঃ
উদাহরণঃ DTE <Space>XXX<Space>YYYYYY<Space>ZZZZ<Space>RRRRRR<Space>S
এখানে XXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের বোর্ডের নাম লিখতে হবে, ঢাকা বোর্ডের ক্ষেত্রে (DHA), সিলেট এর ক্ষেত্রে (SYL), বরিশালের ক্ষেত্রে (BAR), চট্টগ্রাম এর ক্ষেত্রে (CHI), কুমিল্লা এর ক্ষেত্রে (COM), দিনাজপুর এর ক্ষেত্রে (DIN), যশোর এর ক্ষেত্রে (JES), রাজশাহী এর ক্ষেত্রে (RAJ), মাদ্রাসা এর ক্ষেত্রে (MAD), কারিগরী এর ক্ষেত্রে (BTE), YYYYYY এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর, ZZZZ এর জায়গায় এস এস সি পাশের সন এবং RRRRRR এর জায়গায় এস এস সি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এবং S-এর স্থলে ১ম শিফট (A), ২য় শিফট (B), উভয় শিফট (C) লিখতে হবে।

    SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) কেটে রাখার সম্মতি চেয়ে ফিরতি SMS দেওয়া হবে। প্রার্থীকে তার নাম, পিতার নাম ইত্যাদি তথ্যাদি মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে ।
উদাহরণঃ DTE <Space>YES<Space>PIN<Space>Your mobile number
PIN নম্বরটি সঠিক ভাবে লেখা হলে উক্ত টেলিটকের prepaid মোবাইল থেকে ভর্তি ফি বাবদ ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) কেটে রাখা হবে এবং প্রার্থীকে একটি Money Receipt Number সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, Money Receipt Number টি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে এবং Money Receipt Number টি পাওয়ার পরে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। Money Receipt Number ছাড়া কোনক্রমেই আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে না।

আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ
  • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd এর Home page হতে  অনলাইন ভর্তি (ডিপ্লোমা পর্যায়) button এ click করে application form open করতে হবে ।
  • Screen এ প্রদর্শীত  application form এর চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ/নির্বাচন, entry/selection (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) করতে হবে ।
  • একজন প্রার্থীকে প্রথমেই তার পছন্দের শিফট (১ম বা ২য়) নির্বাচন করতে হবে।
  • Applicationform পূরণ শেষে Submit button এ ক্লিক করে ফিরতি message এর print নিতে হবে । উক্ত print কপিতে প্রদত্ত Track number ভর্তির রোল নং হিসেবে বিবেচিত হবে । কোন কারণে Track number সহ ফিরতি message print নিতে ব্যর্থ হলে পুনরায় একই ভাবে application form পুরণের চেষ্টা করতে হবে।
  • ভর্তির ফরম পূরণের বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট হতে print নেয়া যাবে ।
৩ .একজন প্রার্থী যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তাহা প্রতিষ্ঠান–টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হবে ।
উদাহরণঃ ১ম শিফটে ভর্তির ক্ষেত্রে ঢাকা পলিটেকনিক-সিভিল, কুমিল্লা পলিটেকনিক-সিভিল, ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক-কম্পিউটার, ভিটিটিআই-ইলেকট্রিক্যাল, গাজীপুর টিএসসি- কম্পউটার এভাবে সর্বোচ্চ দশটি এবং ২য় শিফটের ভর্তির ক্ষেত্রেও একইভাবে সর্বোচ্চ ১০ টি অপশন নির্বাচন করা যাবে।
৪. একজন প্রার্থী আবেদনপত্র পুরনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কেবলমাত্র একবার সংশোধনের সুযোগ পাবে ।
৫. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনষ্টিটিউট-টেকনোলজী ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
৬.  আবেদনের সময় পাসপোর্ট আকারের রঙ্গীন ছবি দিতে হবে।
৭. আবেদন ফরম button এ click করলে তিনটি অপশন প্রদর্শিত হবে New Application, Update submitted form এবং View submitted form
৮. আবেদনকারী নতুন হলে New Application button এ click করবে।
৯. টাইপ Money Receipt Number, SSC Registration Number তারপর Verify Button এ Click করতে হবে। [ যদি আবেদনকারী জিপিএ ৩.৫ অথবা এর বেশি এবং সাধারণ গনিত অথবা উচ্চতর গনিত এ জিপি ৩ এর বেশি হয় তাহলে আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য নীচে প্রদর্শিত হবে।]
১০. বাধ্যতামূলক ফিল্ডগুলো (*) অবশ্যই পূরন করতে হবে ।
১১. আবেদনকারী যদি একাধিক কোটাভূক্ত হয় তাহলে একাধিক কোটা Select করতে পারবেন।
১২. সকল তথ্য সঠিক হওয়া সত্ত্বেও আবেদন করতে অক্ষম হলে হেল্প লাইন এর প্রর্দশিত ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৩. আবেদনকারী ১ম শিফটে সর্বোচ্চ দশটি এবং ২য় শিফটে সর্বোচ্চ দশটি Institute ও Department চয়েস করতে পারবেন।
১৪. আবেদনকারী যে কোন শিফটে একটি Institute এর মধ্যে দশটি Department অথবা একটি Institute এর কয়েকটি Department অথবা ভিন্ন Institute এর ভিন্ন Department চয়েস করতে পারবেন।
১৫. আবেদনকারী Choice 1 Radio Button এ Click করলে Institute এর নাম আসবে , Institute Select করলে এই Institute এর Department প্রদর্শিত হবে, চয়েস অনুযায়ী Department select করবেন এবং Save Choice Button এ অবশ্যই Click করবেন। Similarly Choice 2 Radio button click করে ভিন্ন চয়েস করতে পারবেন।
১৬. আবেদনকারী চয়েস শেষ হয়ে গেলে Submit Button এ Click করতে হবে । তারপর Feedback form প্রদর্শিত হবে । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আবেদনকারী Save Button এ Click করবেন।
১৭. আবেদনকারীকে অবশ্যই Track Number টা নোট করে রাখতে হবে, কারণ এই Track Number টা পরবর্তীতে Result এ ব্যাবহার করতে হবে।
১৮. ফরম Submit করার পর আবেদনকারী যদি তথ্য আপডেট করতে চান, তাহলে আবেদন ফরম থেকে Update Submitted form এ click করতে হবে এবং Track Number দিয়ে আবেদনকারী শুধু মাত্র একবার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।
১৯. ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১৫০ kb এবং সর্বোচ্চ প্রস্থ, উচ্চতা যথাক্রমে ৩০০, ৩৬০ হতে হবে।
২০. মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র অবশ্যই jpg ফরমেটে হতে হবে। সনদপত্রের scan copy অবশ্যই 120kb এর মধ্যে হতে হবে।

Saturday, April 2, 2016

ক্ষুদার তাড়নায় স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকের কি করুন অবস্থা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। দেখুন ভিডিও।

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

আমার নাম মোঃ রবিউল ইসলাম। আমার বাড়ি টাংগাইল জেলার মধুপুর থানায়। আমি হবিগঞ্জ পলিটেকনিকের স্টুডেন্ট। আমি শখের বশে ব্লগিং করি। যা জানি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি।

ক্ষুদার তাড়নায় স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকের কি করুন অবস্থা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না।
আমরা বাঙ্গালী নাকি শান্তিপ্রিয় লোক। আমরা অনেকেই থাকি ৫ তলায় আবার আরেকজনের গাছতলায় থাকার সৌভাগ্যটাও হয়না। সারা বাংলাদেশে যে পরিমান খাবার দৈনিক নষ্ট হয় সারা বংলা বাদ দিয়ে ঢাকা শহরে যে পরিমান খাবার নষ্ট হয় তা যদি আমরা কোন গরিব-ক্ষুদার্থকে খেতে দেই তাহলে হয়ত দেশের গরিব দুখীরাও দুবেলা দুমুঠো ভাত খেয়ে বাচতে পারত। কিন্তু আমরা যারা উচ্চবিলাসী আছি তারা অনেকেই চিন্তা করি আমার টাকার খাবার ফকির ফকিন্নি কে দেব কেন তার চেয়ে বরং ডাস্টবিনে ফেলে দেব। কিন্তু আপনি একবারের জন্যও ভেবেছেন যে আপনি যেদিন মারা যাবেন সেদিন ঐ রাস্তার ফকির ফকিন্নি, দু-বেলা খেতে না পাওয়া মানুষটি মারা যবার পর যেমন সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে রেখেছিল সেখানেই রেখে আসবে  আপনাকে। আপনি বা আমি মারা যাবার পরে সর্বোচ্চ এই দুনিয়ায় ২৪ বা ৪৮ ঘন্টাই রাখবে হয়তবা তার চেয়েও কম সময়.....! তাহলে কেন আমাদের এত অহংকার...? আমাদের বাড়ির কাজের লোক বা কাজের বুয়ার সাথে আমরা অনেক সময় বা বেশির ভাগ ঠিকমত আচরন করি না। কেন তারা গরিব বা আপনার বাড়ির কাজের লোক বলে? কিন্তু তারাও তো মানুষ। তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করলে আমাদের ক্ষতি হবে না বরং আল্লাহ আমদের প্রতি খুশি হবেন।
নিচের ভিডিও থেকে দেখুন আমাদের দেশের কি অবস্থা। আমাদের দেশ নাকি একটি মধ্যম আয়ের দেশ এটা ভাবতেও এখন আমাদের বিবেকে প্রশ্ন বাধে।
ভিডিও


বিঃদ্রঃ ব্লগে লেখােখির জন্য লোক নিয়োগ হবে। যারা আগ্রহী তারা এই ঠিকানায় আপনার জি-মেইল আইডি সেন্ড করেন: pcworldbdsite@gmail.com
অথবা
rabiul_islam15@yahoo.com
অথবা পোষ্টে কমেন্টে সেন্ড করুন।
আমার ফেইসবুক প্রফাইল

Friday, January 8, 2016

বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩০তলা টাওয়ার হচ্ছে ঢাকারপূর্বাচলে


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পূর্বাচল নতুন
শহরের ১৯নং সেক্টরের সেন্ট্রাল
বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট (সিবিডি)
এলাকায় নির্মিত হবে ১৩০ তলা
উচ্চতার ‘কেপিসি বেঙ্গল টাওয়ার’। এ
ভবনের সম্ভাব্য উচ্চতা নির্ধারণ করা
হয়েছে ২ হাজার ১৪৫ ফুট। কাজটি দ্রুত
করতে গেল বছরের ১৩ই ডিসেম্বর একটি
উচ্চ পর্যায়ের টিম গঠন করেছে রাজউক।
টাওয়ারটি নির্মিত হলে এটি হবে
দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ও বিশ্বের
তৃতীয় সর্বোচ্চ ভবন।
এরই মধ্যে ভবনটি নির্মাণের প্রাক্কলন
তৈরি করা হয়েছে। পূর্বাচলে
নির্মিতব্য প্রায় ৬ হাজার কোটি
টাকা ব্যয়ের ভবনটিতে থাকবে
আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও এক্সিবিশন
সেন্টার। রাজউক সূত্রে জানা গেছে,
বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন নির্মিত
হচ্ছে সৌদি আরবের জেদ্দায়। দুই’শ তলা
এই ভবনের উচ্চতা হবে ৩ হাজার ২৮০ ফুট।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন ২০১০ সালে
নির্মিত হয়েছে দুবাইয়ে। ১৬৩ তলা এই
ভবনের উচ্চতা ২ হাজার ৭১৭ ফুট।
এছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য সুউচ্চ ভবনের
মধ্যে রয়েছে সাংহাইয়ের ১২৩ তলা
সাংহাই টাওয়ার এবং সৌদি আরবের
মক্কায় ১২০ তলা মক্কা রয়াল ব্যাংক
টাওয়ার। প্রতিবেশী দেশ ভারতের
মুম্বইতে ১১০ তলা একটি ভবন নির্মাণের
প্রক্রিয়া চলমান।
বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স হিসেবে
ঢাকার ভবনই হবে বাংলাদেশ তথা
দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ ভবন। এছাড়া,
উচ্চতা ও আয়তনের দিক দিয়ে এটি হবে
বিশ্বের সর্বোচ্চ তৃতীয় বৃহত্তম ভবন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এরই মধ্যে
রাজউকের পক্ষ থেকে ‘ফোকাল পয়েন্ট’
হিসেবে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের
অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক উজ্জ্বল
মল্লিককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
তার মাধ্যমে ভবনটি নির্মাণে
সার্বক্ষণিক তথ্য সরবরাহ, যোগাযোগ ও
অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এজন্য আগামী তিন মাসের মধ্যে ভবনের
প্রযুক্তিগত সকল দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা
সম্পন্ন করা যাবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত
মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় রাজধানী
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এ ভবন নির্মাণ
কাজ সম্পূর্ণ তদারকি করবে। সরকার ও
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের যৌথ
উদ্যোগে ভবনটি নির্মাণের চিন্তা
করা হচ্ছে।
ভবনটি নির্মাণে অর্থ বিনিয়োগের
জন্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক
ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান কেপিসি
গ্রুপ আগ্রহ দেখিয়েছে। এ কারণে
রাজউক ফোকাল পয়েন্টকে
সহযোগিতার জন্য চার সদস্যের একটি
টিম গঠন করেছে। ওই টিমে সদস্য
হিসেবে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের
প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) মোহাম্মদ
মনিরুল হক, নগর পরিকল্পনা শাখার উপ-
নগর পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ নূর-ই-
খোদা, উপ-পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩)
মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া এবং উপ-
পরিচালক (অর্থ) মো. জামাল উদ্দিনকে
রাখা হয়েছে।
এর আগে কেপিসি গ্রুপ গত ৮ই অক্টোবর
অর্থমন্ত্রী বরাবরে লেখা চিঠিতে
আগামী ২০১৭ সালের মধ্যেই
টাওয়ারটি নির্মাণকাজ শেষ করতে
সরকারের সহযোগিতা চান। এরপরই
অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োজনীয় জমি
হস্তান্তর, প্রকল্পটি কিভাবে
বাস্তবায়ন করা হবে ও প্রকল্পে কি কি
থাকবে তা নির্ধারণে পুরোদমে
প্রাথমিক প্রস্তুতি নেয় রাজউক। এরপর
২৮শে নভেম্বর ভবনটির নির্মাণকাজ
অতিদ্রুত শুরু ও ভবিষ্যৎ করণীয়
নির্ধারণের ফর্মুলা ঠিক করতে জরুরি
সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গণপূর্ত সচিব
মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন আবদুল্লাহ, রাজউক
চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া,
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী
কবির আহমেদ ভূঁইয়াসহ রাজউকের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত
সভায় প্রস্তাবিত কনভেনশন সেন্টার ও
এক্সিবিশন সেন্টারের নকশাসহ
বিভিন্ন বিষয় পাওয়ার পয়েন্টের
মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। পূর্ত
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে,
পূর্বাচলে বিশেষ বিনিয়োগের জন্য
সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট
(সিবিডি) এলাকায় মোট ২৪৫ দশমিক ১২
একর জমি রাখা হয়েছে। ওই এলাকায়
বিদেশি বিনিয়োগে বৃহৎ কয়েকটি
উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প
বাস্তবায়নের জন্য মোট ৯৫ একর জমি
চায়।
পরবর্তীতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা
করে মোট ৫৬ একর জমিতে তাদের
প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে
প্রতিষ্ঠানটি তাদের মতামতে
জানায়। প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটির জন্য ৫৬
দশমিক ৩ একর জমির প্রয়োজন হলেও
উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনে ৬০
একর জায়গা দিতে চায় সরকার। যদিও
সম্পূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও বেশি
জমির চাহিদা রয়েছে। সরকার
পূর্বাচলে বিভিন্ন সংস্থার বৃহৎ প্রকল্প
বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে সয়েল
টেস্ট করেছে। ফলে
বিনিয়োগকারীরা কেরানীগঞ্জের
পরিবর্তে পূর্বাচলকেই বেছে
নিয়েছে।

Thursday, January 7, 2016

নারীকান্ডে' বিশ্বকাপও অনিশ্চিতগেইলের!

কী থেকে কী হয়ে গেল! মাত্র দুই
দিনের ব্যবধানে পুরো ক্যারিয়ারের ওপরই
যেন এক কলঙ্কের দাগ পড়ে গেল ক্রিস
গেইলের। কিন্তু এত হইচইয়ের পেছনে
দায়ী মাত্র ১৫ সেকেন্ড। মাত্র ১৫
সেকেন্ডের একটি বক্তব্যে গেইলের
ক্যারিয়ারই যেন পড়েছে হুমকির মুখে।
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তোলপাড় হওয়া
এই ঘটনা শুধু সাময়িকভাবেই গেইলকে
ঘায়েল করেনি, বরং গেইলের
অতীতকেও টেনে এনে গেইলের
ভবিষ্যৎকে ফেলে দেয়া হয়েছে
অনিশ্চয়তায়।
গেইল নিজেও হয়তবা ভাবতেও পারেননি
বিগ ব্যাশ লিগে সাক্ষাৎকার দিতে
গিয়ে মহিলা সাংবাদিককে ডেটিংয়ের
প্রস্তাব দিতে গিয়ে এত জঘন্যভাবে
ফেঁসে যাবেন। কিন্তু আসলে বাস্তবে
সেটিই হয়েছে। ভীষণভাবে ফেঁসে
গিয়েছেন গেইল। সদ্য ঘটা এই
কেলেঙ্কারি ছাড়াও ধীরে ধীরে উঠে
আসছে গেল গেইলের অতীত জীবনে
নারী ঘটিত সব বিষয়।
তবে সবকিছু ছাপিয়ে গেছে গত
অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত
ওয়ানডে বিশ্বকাপেও নাকি এক নারীর
সঙ্গে গেইলের অশোভন আচরণ। যদিও ঐ
অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন
ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব। বিশ্বকাপে
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সেবায় ছিলেন
অস্ট্রেলিয়ার এক নারী।
গেইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশ্বকাপের
সময় একদিন কাজের জন্য ওই নারী
গেইলদের ড্রেসিং রুমে প্রবেশ
করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন সে
সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা
মাঠে রয়েছেন। রুমে ঢুকে তিনি
তোয়ালে পড়া ক্রিস গেইলকে দেখতে
পান। এরপরেই তার সামনে অশালীন
ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেন গেইল।
আর যদি এই অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়,
তাহলে হয়তবা খুবই খারাপ খবরই পেতে
যাচ্ছেন এই টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট
ব্যাটসম্যান । বিগ ব্যাশ লিগে আজীবন
নিষিদ্ধ হবার সাথে সাথে নিষিদ্ধ হতে
পারেন সব ধরণের ঘরোয়া টূর্ণামেন্ট বা
ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক লিগ থেকে। শুধু
তাই নয়, এমনকি তিনি নিষিদ্ধ হতে পারেন
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন ২০১৬ টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেও। আর ঠিক
এমন ইঙ্গিতটাই দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ক্রিকেট বোর্ড।
ক্যারিবীয়ান এই রাজপুত্র বরাবরই
মেয়েদের প্রতি দূর্বল। বিগ ব্যাশে
মহিলা সাংবাদিককে ডেটিংয়ের
প্রস্তাব দেয়ায় আপাতত তাকে ১০ হাজার
অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা দিতে
হয়েছে। তবে এই কান্ডের জন্যে তার ওপর
যে বড় ধরণের বিপদ আসছে তা ক্রিকেট
পাড়ার অবস্থা দেখলেই বলে দেয়া যায়।
আর তার বিরুদ্ধের সমস্ত অভিযোগ যদি
সত্যিই প্রমাণিত হয়ে যায়, তবে শুধু গেইল
নয়, ক্রিকেটপাগল সমর্থকদের ওপরও সেই
প্রমাণটি একটি বড় ধাক্কা হয়েই আসবে
বলা যায়।

বাসে কিশোরীকে ধর্ষণ,চালক গ্রেপ্তার


ময়মনসিংহের নান্দাইলে
যাত্রীবাহী বাসের ভেতর এক
কিশোরীকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ
পাওয়া গেছে। কিশোরীর চিৎ​
কারে আশপাশের লোকজন
বাসচালককে আটক করে পুলিশের হাতে
তুলে দেন। ঘটনাটি গতকাল মঙ্গলবার
রাতে ঘটলেও ওই কিশোরী বাদী
হয়ে আজ বুধবার বাসচালক ও তাঁর
সহকারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায়
মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,
গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে
নরসিংদী যাওয়ার জন্য ওই কিশোরী
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে গাড়ির জন্য
অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ময়মনসিংহ
থেকে নান্দাইলগামী একটি বাস
সেখানে দাঁড়ায়। বাসের চালক, তাঁর
সহযোগী ও সুপারভাইজার নরসিংদী
যাবে বলে ওই কিশোরীকে বাসে
উঠায়। কিন্তু নান্দাইল চৌরাস্তা
এলাকায় যাওয়ার পর কিশোরীকে
জানানো হয় বাসটি নরসিংদী
যাবে না। ওই কিশোরীকে অপেক্ষা
করতে বলে তাঁরা তিনজন বাস থেকে
বেরিয়ে যান। অন্য যাত্রীরা নেমে
যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে এসে
তাঁরা বাসের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর
সুপারভাইজার ও চালকের সহযোগীর
সহযোগিতায় চালক তাকে ধর্ষণ
করেন। এ সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে
আশপাশের লোকজন ছুটে এসে চালককে
আটক করলেও অন্য দুজন জানালা দিয়ে
পালিয়ে যান।
নান্দাইল থানা-পুলিশ জানায়, খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
চালককে আলমগীর হোসেনকে থানায়
নিয়ে আসে। ওই কিশোরী আজ
সকালে বাদী হয়ে চালক, চালকের
সহযোগী মোশাররফ ও সুপারভাইজার
জালালের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
করেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই
কিশোরীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়েছে।
নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আতাউর রহমান প্রথম আলোকে
বলেন, আজ বুধবার চালককে আদালতের
মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো
হয়েছে। পলাতক দুই আসামিকে
গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ডিপজল পরিবহনের ফ্রি সার্ভিস..........!

বাংলাদেশ
চলচ্চিত্রের
জনপ্রিয়
অভিনেতা
মনোয়ার
হোসেন
ডিপজল তার
নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘ডিপজল
এন্টারপ্রাইজ’ এর পক্ষ থেকে এবারের
বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের জন্য
বিনামূল্যে ১৯৫টি বাস দেয়ার
ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার
সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে
একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য
জানালেও আজ একটি দৈনিক
পত্রিকাকে ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন তিনি। আগামী শুক্রবার
থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম
পর্ব। প্রথম পর্বে ৩৯টি জেলার ধর্মপ্রাণ
মুসলমান ছাড়াও এতে অংশ নেবেন দেশ
বিদেশের লাখ লাখ মুসলমান। এ বিষয়ে
ডিপজল বলেন, আমার ভাগ্যে যেটা
ছিল আমি সেটাই করছি। অনেক
মানুষের অনেক কিছুই আছে, কিন্তু
মানুষের জন্য কিছু করা হয় না। আমি
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি,
আমি আমার ১৯৫টি বাসের মাধ্যমে
দেশের ৩৯টি জেলায় ফ্রি সার্ভিস
দেব। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে
বিভিন্ন জেলা শহর থেকে মুসল্লিদের
আনা শুরু হবে এবং রবিবার আখেরি
মোনাজাতের পর আবার সবাইকে নিজ
নিজ জেলায় পৌঁছে দেওয়া হবে। এর
আগে ফেসবুকে ডিপজল লিখেছিলেন,
প্রতিবছরই ইচ্ছা থাকে ইজতেমায়
গিয়ে লাখো মুসল্লির সাথে সময়
কাটাব। আমি শুনেছি সেখানে
গেলে মানুষের মন পরিবর্তন হয়। এই বছর
ইনশাল্লাহ্ অবশ্যই যাব। এবং সবার
সাথে দুদিন সময় কাটাব। সূত্র: কালের
কণ্ঠ ৬ জানুয়ারি ২০১৬

Wednesday, January 6, 2016

ভূমিকম্পে পানি হয়ে যায়সোনা!

গত রোববার রাতের ভূমিকম্পের পর
সারা দেশেই আলোচিত একটি শব্দ
‘ভূমিকম্প’। আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের
ক্ষতিকর দিক এবং রক্ষার উপায় নিয়ে
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনাও
হচ্ছে দেদার। এবার জানুন ভূমিকম্পের
একটি ব্যতিক্রমী দিক সম্পর্কে।
যেখানে বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে,
ভূমিকম্পের ফলে পানি হয়ে যায়
সোনা!
ভূমিকম্পের এই ব্যতিক্রমী দিকটি
জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাগাজিন
লাইভসায়েন্স ডটকম। ম্যাগাজিনের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পের
প্রভাবে পানি সোনায় পরিণত হয়। আর
পৃথিবীর মোট স্বর্ণভাণ্ডারের ৮০
শতাংশ এভাবেই সৃষ্টি।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব
কুইন্সল্যান্ডের ভূপদার্থবিদ অধ্যাপক
ডিওন ওয়েদারলি ভূমিকম্পে পানির
সোনায় পরিণত হওয়া নিয়ে একটি
মডেল বানিয়েছেন। সেই মডেলে
দেখানো হয়েছে, কীভাবে
ভূমিকম্পের তীব্র কম্পনে পাথর ও ধাতু
চাপে-তাপে সোনায় রূপান্তরিত হয়।
গত বছরের নেচার জিওসায়েন্স
জার্নালে এই মডেল নিয়ে একটি
বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সেখানে ডিওন ওয়েদারলি জানান,
ভূমিকম্পের ফলে পানির সোনায়
পরিণত হওয়া একটি প্রাকৃতিক উপায়।
তবে পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে
পানিকে সোনায় রূপান্তর সম্ভব হলেও
স্বাভাবিক ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠের ওপর এই
সোনা সৃষ্টি সম্ভব নয়।
ডিওন ওয়েদারলি এ বিষয়টি ব্যাখ্যা
করেন তাঁর পানি থেকে সোনা
তৈরির বিশেষ মডেলের সাহায্যে।
সেখানে দেখানো হয়, ভূমিকম্পে
কীভাবে সাগরতলায় বড় ধরনের চ্যুতির
সৃষ্টি হয়। এই চ্যুতির ফলে সৃষ্ট বড় ফাটল
সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে ভরে যায়। এই
ফাটলগুলো যত বড় হয়, ততই এটি ভূ-
অভ্যন্তরের লাভার কাছাকাছি
পৌঁছায়। আর অতি উচ্চ তাপমাত্রার
লাভায় থাকা সিলিকা, কার্বন
ডাইঅক্সাইড, খনিজ স্ফটিক পানির
অক্সিজেনের সংমিশ্রণে এসে সোনা
উৎপন্ন করে।
অধ্যাপক ডিওন ওয়েদারলি আরো
জানান, পুরো বিষয়টি যত সহজে বলে
ফেলা যায়, আদতে বিষয়টি তত সহজ নয়।
তাই শত বছর পর কোনো একটি বিশেষ
মাত্রার ভূমিকম্পে প্রকৃতিতে বিপুল
পরিমাণ সোনা উৎপন্ন হয়।
সুত্রঃ এন. টিভি অনলাইন

Tuesday, January 5, 2016

উইন্ডোজ ৭-এ মারাত্মক সমস্যা


বর্তমানে সারা বিশ্বে যত কম্পিউটার
চলছে তার ৫৫ শতাংশই চলছে
মাইক্রোসফটের তৈরি উইন্ডোজ ৭
সফটওয়্যারে। কিন্তু উইন্ডোজ নাকি
ভয়াবহ বিপদের নাম! এই বিপদ নিয়ে
সম্প্রতি সতর্ক থাকার কথা বলছে
উইন্ডোজ সফটওয়্যারে নির্মাতা
মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফটের বিপণন বিভাগের
প্রধান ক্রিস ক্যাপোসেলা সম্প্রতি
উইন্ডোজ উইকলিকে বলেছেন, যাঁরা
উইন্ডোজ ৭ হালনাগাদ করেছেন তাঁরা
নিজের গরজে, নিজে ঝুঁকি নিয়ে
করেছেন। তাঁর মতে, মাইক্রোসফট
উইন্ডোজ ৭ এর ভবিষ্যৎ ও হার্ডওয়্যার
সমর্থন ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে
উদ্বিগ্ন।
ক্রিস ক্যাপোসেলা বলেন, ‘মানুষ যখন
এক দশক পুরোনো কোনো অপারেটিং
সিস্টেম ব্যবহার করেন তখন আমাদের
দুশ্চিন্তা করতে হয়। কারণ, দেখা যাবে
পরবর্তী প্রজন্মের কোনো প্রিন্টার এই
সফটওয়্যার সমর্থন করছে না কিংবা নতুন
কোনো গেম এতে খেলা যাচ্ছে না।
তাই আমরা আমাদের সফটওয়্যার ও
হার্ডওয়্যার সহযোগীদের উইন্ডোজ ১০
অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধা
নিয়ে নতুন পণ্য তৈরিতে চাপ দিচ্ছি।
এর ফলে পুরোনো সফটওয়্যারগুলোর
অবস্থা আরও খারাপ হবে। ভাইরাস
আক্রমণ ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো তো
আছেই।’
এদিকে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন,
উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমকে
প্রাধান্য দিতেই উইন্ডোজের অন্য
সংস্করণগুলোর প্রতি গুরুত্ব কমিয়ে
দিচ্ছে মাইক্রোসফট। নিরাপত্তা
কিংবা হার্ডওয়্যার সমর্থনের দিক
বিবেচনায় উইন্ডোজ ১০ এর চেয়ে
উইন্ডোজ ৭ কোনো অংশেই কম নয়। ২০২০
সাল পর্যন্ত এটি মাইক্রোসফটের কাছ
থেকে নিরাপত্তা সমর্থন পাবে। কিন্তু
মাইক্রোসফটের জন্য উইন্ডোজের
বিভিন্ন সংস্করণের ব্যবহারের এই
বিভাজনটি একটি বড় বাধা। আগামী দুই
থেকে তিন বছরের মধ্যে ১০০ কোটি
যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ চালু করার লক্ষ্য
নির্ধারণ করেছে মাইক্রোসফট।
ক্যাপোসেলা বলেন, ‘যেসব
যন্ত্রগুলোতে উইন্ডোজ ১০ চালানো
যাবে আমরা তার সবগুলোতেই এ
সফটওয়্যারটি দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করব। আমরা সঠিক ভারসাম্য তৈরি
করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
উইন্ডোজ ১০ সফটওয়্যারের প্রশংসা করে
মাইক্রোসফটের বিপণন বিভাগের
প্রধান বলেন, ‘কাউকে না রাগিয়ে
নতুন মডেলে আনা খুবই কষ্টের কাজ।
আমরা কাউকে রাগাতে চাই না।
কিন্তু গ্রাহককে উন্নত সুবিধা দেওয়া ও
উন্নত জায়গায় নিয়ে যাওয়াকে আমরা
দায়িত্বশীলতা বলে মনে করি। সে
অর্থে উইন্ডোজ ৭ এর চেয়ে উইন্ডোজ ১০
অনেক উন্নত জায়গা।’

Sunday, December 20, 2015

ভিসা ছাড়াই ৫০ দেশে যেতে পরবেন বাংলাদেশীরা।

একজন বাংলাদেশি হিসেবে আপনি
গর্ব করতেই পারেন। কারণ ভিসা
ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের
পাসপোর্টের জোরে আপনি ৫০টি দেশ
ভ্রমণ করতে পারবেন। আর্থিক খাতের
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল
প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা
তৈরি করেছে, যেখানে
বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম।
অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত
পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট
সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি
পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে ভিসা
ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। এ
দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশি
পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার
প্রয়োজনই হয় না। বাকি দেশগুলোর
প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে
পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে
নিতে হবে। আর, দু-একটি দেশের
ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা প্রযোজ্য।
পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন
দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে ৮০
পর্যন্ত তালিকা করা হয়েছে,
যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭।
কোনো দেশের পাসপোর্টধারী
ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার
সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা
হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও
মাইক্রোনেশিয়া ও টোগোর
পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই
৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।
পাসপোর্টের প্রভাবের তালিকায়
সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান হলো,
আফগানিস্তান ৭৯ (পূর্বে ভিসা
লাগবে না ৩৮ দেশে), ভারত ৫৯
(ভিসাহীন ৫৯), পাকিস্তান ৭১
(ভিসাহীন ৪৬), মালদ্বীপ ৫৩
(ভিসাহীন ৬৫), নেপাল ৭৯ (ভিসাহীন
৩৮), ভুটান ৭৯ (ভিসাহীন ৪০),
শ্রীলংকা ৭০ (ভিসাহীন ৪৭)।
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী
পাসপোর্ট হলো যুক্তরাজ্য ও
যুক্তরাষ্ট্রের। তালিকায় এক নম্বরে
থাকা দেশ দুটির পাসপোর্ট দিয়ে
ভিসা ছাড়াই ১৪৭ টি দেশে যাওয়া
যায়। আর তালিকার একদম তলানিতে
৮০তম অবস্থানে আছে সাওটম ও
প্রিন্সিপে, ফিলিস্তিন, সলোমন
আইল্যান্ড, মিয়ানমার ও দক্ষিণ সুদান। এই
দেশগুলোর পাসপোর্টে মাত্র ২৮টি
দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার
আছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের
৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশের
অনুমতির কথা বলা হলেও পার্সপোর্ট
ইনডেস্ক ডট অর্গ দেশগুলোর তালিকা
প্রকাশ করেনি। আর উইকিপিডিয়া ও
বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সূত্রে
নিন্মোক্ত ৪৫ টি দেশের ব্যাপারে
নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন দেশের
দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী,
বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের
কোনো ভিসাই লাগবে না এমন
দেশগুলো হলো :
১. বাহামাস (চার সপ্তাহ পর্যন্ত)
২. বার্বাডোস (ছয় মাস)
৩. ডোমিনিকা (ছয় মাস)
৪. ফিজি (চার মাস)
৫. গাম্বিয়া (তিন মাস)
৬. গ্রানাডা (তিন মাস)
৭. হাইতি (তিন মাস)
৮. জ্যামাইকা
৯. লেসোথো (তিন মাস)
১০. মালাওয়ি (তিন মাস)
১১. মাইক্রোনেশিয়া (এক মাস)
১২. সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস
১৩. সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য
গ্রানাডিনস (এক মাস)
১৪. ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
১৫. ভানুয়াতু (এক মাস)
১৬. মন্টসেরাত (তিন মাস)
১৭. টার্ক অ্যান্ড সিসেরো আইল্যান্ড
(এক মাস)
১৮. ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড
(এক মাস)
১৯. মাক্রোনেশিয়া (এক মাস)
২০. নিউয়ি (এক মাস)
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা
ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন, তবে
সেখানে পৌঁছে ভিসা করতে হবে
এমন দেশগুলো হলো:
১. ভুটান
২. বলিভিয়া (তিন মাসের ভিসা)
৩. কেপ ভার্দে
৪. কমোরোস
৫. গিনি বিসাউ (তিন মাস)
৬. মাদাগাস্কার (তিন মাস)
৭. মালদ্বীপ (এক মাস)
৮. মাওরিতানিয়া
৯. মোজাম্বিক (এক মাস)
১০. নেপাল (এক মাস)
১১. নিকারাগুয়া (তিন মাস)
১২. তিমরলেস্টে (এক মাস)
১৩. টোগো (সাত দিন)
১৪. তুভালু (এক মাস)
১৫. উগান্ডা
১৬. বুরুন্ডি
১৭. জিবুতি (এক মাস)
১৮. আজারবাইজান (এক মাস)
১৯. ম্যাকাউ (এক মাস)
বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলে
ভিসা লাগবে না তবে বিশেষ
অনুমোদন লাগবে এমন দেশগুলো হলো :
১. কিউবা (টুরিস্ট কার্ড জোগাড় করতে
হবে, মেয়াদ তিন মাস)
২. সামোয়া (ঢোকার অনুমতিপত্র
থাকলেই হলো, মেয়াদ দুই মাস)
৩. সেচেলেস (ভ্রমণের অনুমতিপত্র
থাকতে হবে, মেয়াদ এক মাস)
৪. সোমালিয়া (ওই দেশে থাকা কেউ
স্পন্সর করলে ভিসা পৌঁছেও করা
যাবে, যার মেয়াদ হবে এক মাস। তবে
সোমালিয়া পৌঁছানোর দুদিন আগে
সেখানকার বিমানবন্দরে বিষয়টি
জানিয়ে রাখতে হবে)
৫. শ্রীলংকা (ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক
অনুমোদনপত্র, মেয়াদ এক মাস)
৬. লাওস (সরকারি কোনো সফরের
নথিপত্র থাকলে ভিসা প্রয়োজন হবে
না)

Thursday, December 17, 2015

সমাপনী ও জেএসসির ফল ৩১ ডিসেম্বর।


প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা
সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল
সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র
দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)
পরীক্ষার ফল আগামী ৩১ ডিসেম্বর
প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আজ
বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে এই তথ্য
জানান।
গত মাসে এই চার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ নভেম্বর জেএসসি ও জেডিসি
পরীক্ষা শুরু হয়। মোট পরীক্ষার্থী ২৩
লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন।
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা
সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয় ২২ নভেম্বর।
এতে মোট পরীক্ষার্থী ৩২ লাখ ৫৪
হাজার ৫১৪ জন।

Thursday, December 3, 2015

বিশ্বের শত চিন্তাবিদের তালিকায় ১৩তম শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য সাময়িকী ফরেন পলিসির এ বছরের বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈশ্বিক ভাবনা, রাজনীতি ও অর্থনীতি-বিষয়ক ওয়াশিংটন-ভিত্তিক ওই সাময়িকীর তালিকায় তাঁর অবস্থান ১৩তম। ‘ডিসিশন-মেকার্স’ ক্যাটাগরিতে এই ১০০ চিন্তাবিদের তালিকাটি করা হয়েছে।
একই ক্যাটাগরিতে এ বছর শেখ হাসিনার সঙ্গে অন্য দেশের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মৌরিতানিয়ার প্রেসিডেন্ট আমিনাহ গুরিব। খবর বাসসের।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে অসাধারণ অবদানের জন্য বিশ্বের শীর্ষ চিন্তাবিদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সাময়িকীটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশ রক্ষার নীতি গ্রহণ করায় এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ নির্গমন করে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশটির ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ উদ্বাস্তু হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ৩০ শতাংশ দারিদ্র্যের হার আর অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে শেখ হাসিনা জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’-এ ভূষিত হন।
সাময়িকীটির ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়, ২০০৯ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার কৌশল তৈরি করে। দেশটি সংবিধান সংশোধনীতে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং কয়েক লাখ বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করে। এ ছাড়া বর্তমানে দেশটি বার্ষিক বাজেটের ৬ থেকে ৭ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজনের জন্য বরাদ্দ রাখছে।
ফরেন পলিসি সাময়িকী প্রতিবছর বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকা প্রকাশ করে। সুনির্দিষ্ট অবদান ও ধারণাকে বাস্তব রূপ দিয়ে বিশ্বকে পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এ তালিকা তৈরি করেন ফরেন পলিসির সম্পাদকেরা। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাম এই সাময়িকীর তালিকায় স্থান পায়।

প্রথম আলো

Sunday, November 22, 2015

সিমের পর হ্যান্ডসেটও নিবন্ধন করতে হবে।

আগামী বছরের মে মাস থেকে
হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর
(ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট
আইডইন্টিটি) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করবে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ
নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ
শনিবার সকালে হোটেল ওয়েস্টিনে
‘মোবাইল ডিভাইসেস অ্যান্ড ইটস রোল
ইন ন্যাশনাল সিকিউরিটি’ বিষয়ে এক
বৈঠকে এসব তথ্য জানিয়েছেন
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী
তারানা হালিম।
মোবাইল সিমের নম্বর নিবন্ধনের শেষে
প্রতিটি মোবাইল সেটের স্বতন্ত্র নম্বরও
নিবন্ধনের ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে
সরকার। আগামী বছরের এপ্রিলের পরপরই
মোবাইল সেটের আইএমইআই নম্বর
(ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট
আইডইন্টিটি) রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু
হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী
তারানা হালিম।
তিনি বলেন, মানুষের নিরাপত্তা ও
স্বস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম
রেজিস্ট্রেশন ও সেটের আইএমইআই নম্বর
রেজিস্ট্রশন জরুরি। সিম
রেজিস্ট্রেশনের কাজটি একটি
ভালো অবস্থায় আনা গেছে। এপ্রিলে
সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ হবে।
এরপর সেটের আইএমইআই নম্বর
রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হবে। তা না
হলে নিরাপত্তার দিকটি অসম্পূর্ণ
থেকে যাবে।
বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ প্রসঙ্গে
বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত না
হওয়া পর্যন্ত ফেসবুকসহ যে সব ইন্টারনেট
অ্যাপস বন্ধ রয়েছে তা বন্ধ থাকবে।
জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই এসব
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ
রাখা হয়েছে। তারপরেও অনেকেই
বিকল্প মাধ্যমে ফেসবুকসহ সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছেন
তাদেরকে আমরা তদারকির আওতায়
আনতে পারছি। এছাড়া তারা
ইন্টারনেটের স্পিড খুব বেশি পাচ্ছে
না। ফলে বিকল্প উপায়ে ফেসবুকের
ব্যবহার খুব বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকির
সৃষ্টি করবে না বলে টিউমেন্ট করেন
তিনি।
তারানা বলেন, দেশের স্বাধীনতার
যুদ্ধে ছাত্র সমাজ সহ দেশের জনগণ
যেরকম ত্যাগ স্বীকার করেছেন
সেভাবেই বর্তমান সঙ্কটময়
পরিস্থিতিতে ইন্টারনেটের সীমিত
ব্যবহারের বিষয়টি মেনে নিয়ে একই
রকম কন্ট্রিবিউশন রাখবেন।
বৈঠকে অংশ নেন বিটিআরসি
চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ,
কাস্টমস ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড
ইনভেস্টিগেশনের ডিরেক্টর
জেনারেল ড. মঈনুল খান, র্যাবের
কমিউনিকেশন উইং পরিচালক
কমান্ডার শাহেদ করিম, লার্ন এশিয়ার
সিনিয়র পলিসি ফেলো আবু সাইদ খান,
ইনভিকোর সিইও ফাওয়াদ গোরায়ের,
বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট
বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল
মোল্লা মো. জুবায়ের, র্যাব-১০ এর
কমান্ডিং অফিসার জাহাঙ্গীর
হোসেন মাতুব্বর, ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) মনিরুল
ইসলাম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ নভেম্বর থেকে চালু
হওয়া পরীক্ষামূলক বায়োমেট্রিক
(আঙ্গুলের ছাপ) পদ্ধতিতে মোবাইল
সিম নিবন্ধনের কাজ শুরু করেছে
মোবাইল অপারেটররা। আগামী ১৬
ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক
সিম নিবন্ধনের কার্যক্রম। চলবে ৩০
এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর শুরু হবে হ্যান্ডসেট
নিবন্ধনের কার্যক্রম।

সুত্রঃ ইন্টারনেট

Thursday, October 29, 2015

হিন্দু উগ্রবাদীদের কারণে এশিয়া কাপ হবে বাংলাদেশে

হিন্দু উগ্রবাদীদের কারণে
এশিয়া কাপ হবে
বাংলাদেশে

স্পোর্টস ডেস্ক :
টানা ৩ বার
এশিয়া কাপের
আয়োজক দেশ
হতে যাচ্ছে
বাংলাদেশ।
২০১৬ সালের
এশিয়াকাপ ভারতে হওয়ার কথা ছিল।
ভেন্যুও ঠিক করা হয় এই আসরের জন্য।
কিন্তু এখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায়
ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক। ভারত ও
পাকিস্তান দ্বিপাক্ষীয় না হলে
ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের পথে
হাঁটছিল। কিন্তু সবকিছুই ভেস্তে যায়
ভারতের হিন্দু উগ্রপন্থি তথা
শিবসেনাদের তাণ্ডবে। ভারত ও
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের
সভাপতির বৈঠককে হামলা চালিয়ে
ভন্ডুল করে দেয় শিবসেনা। পরে
পাকিস্তান হুমকি দেয় যে, তারা
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এই আসরে অংশ
নিবে না। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে
এই বিষয়ে চূড়ান্ত ভাষ্য জানার পরে
নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
সিঙ্গাপুরে এশিয়ান ক্রিকেট
কাউন্সিলের সভায় এই আসর
বাংলাদেশে আয়োজন করার
সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে ২০১২ ও
২০১৪ সালে এশিয়াকাপের আয়োজক
ছিল বাংলাদেশ। আর এবার টানা ৩
বার এশিয়াকাপের আয়োজন করে
নজির সৃষ্টি করতে যাচ্ছে
বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে
অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেরও আয়োজক
বাংলাদেশ।

Thursday, October 15, 2015

দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫

দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫


নরসিংদীর বেলাবতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নারীসহ অজ্ঞাত পাচজন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ভৈরবের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভৈরব থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী চলনবিল পরিবহনের একটি বাস নারায়ণপুর লালমিয়া ফিলিং স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী অনন্যা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটো বাসই দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই এক নারীসহ তিনজন মারা যান। স্থানীয় লোকজন কমপক্ষে ৩০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভৈরবের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে আরও এক নারী মারা যান।
ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আলম খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া বাস দুটো আটক করে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।