Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts

Monday, December 7, 2015

SmadAv antivirus নিয়ে নিন আপনার পিসির জন্য

আজকে আপনাদের পিসির জন্য নিয়ে
আসলাম চরম কাজের একটা Antivirus
Smadav Pro ভার্সন যা আপনার কম্পিউটার
কে রাখবে সকল প্রকার ভাইরাস থেকে
সুরিক্ষিত। এটি সাইজ ে ছত হলেই এর
কাজ চরম। আপনি যখন কম্পিউটার এ পেন
ড্রাইভ দুখাবেন, পেন ড্রাইভ এ যদি
ভিরুস থাকে তাইলে এটি তাকে
নিজে নিজেই ডিলিট করে দিবে।
তো চলুন ডাউনলোড করে নিন এই
সতফ্বারে টি আর আপনার কম্পিউটার
কে রাখুন সুরিক্ষিত
সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন এখানে
সিরিয়াল কী ডাউনলোড এখানে
Features of this Antivirus
SmadAV Pro 2015
SmadAV is antivirus for additional protection of
your computer, USB stick total protection and
thoroughly cleaning widespread virus.You Can
Use It As an additional antivirus for extra
protection.It Defends unknown programs from
running on background & it does not affect your
computer’s performance.It provides decent
antivirus protection, even if its scans take a while
to finish up. It offers proactive protection in
addition to some neat security features that
protect your computer from onsite saboteurs.
There aren’t many unturned stones in the world
of antivirus software, though, and this program
doesn’t seem to find any of them.So Here we
came with latest version working activator.So Use
it & add an extra shield of protection to your
device.
Instructions
Download & Install SmadAV
Disconnect internet
Go to Manage in left pane & Copy/Paste Name &
Serial from below
Click Register button
That’s It ! Enjoy


SmadAv antivirus নিয়ে নিন আপনার পিসির জন্য

আজকে আপনাদের পিসির জন্য নিয়ে
আসলাম চরম কাজের একটা Antivirus
Smadav Pro ভার্সন যা আপনার কম্পিউটার
কে রাখবে সকল প্রকার ভাইরাস থেকে
সুরিক্ষিত। এটি সাইজ ে ছত হলেই এর
কাজ চরম। আপনি যখন কম্পিউটার এ পেন
ড্রাইভ দুখাবেন, পেন ড্রাইভ এ যদি
ভিরুস থাকে তাইলে এটি তাকে
নিজে নিজেই ডিলিট করে দিবে।
তো চলুন ডাউনলোড করে নিন এই
সতফ্বারে টি আর আপনার কম্পিউটার
কে রাখুন সুরিক্ষিত
সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন এখানে
সিরিয়াল কী ডাউনলোড এখানে
Features of this Antivirus
SmadAV Pro 2015
SmadAV is antivirus for additional protection of
your computer, USB stick total protection and
thoroughly cleaning widespread virus.You Can
Use It As an additional antivirus for extra
protection.It Defends unknown programs from
running on background & it does not affect your
computer’s performance.It provides decent
antivirus protection, even if its scans take a while
to finish up. It offers proactive protection in
addition to some neat security features that
protect your computer from onsite saboteurs.
There aren’t many unturned stones in the world
of antivirus software, though, and this program
doesn’t seem to find any of them.So Here we
came with latest version working activator.So Use
it & add an extra shield of protection to your
device.
Instructions
Download & Install SmadAV
Disconnect internet
Go to Manage in left pane & Copy/Paste Name &
Serial from below
Click Register button
That’s It ! Enjoy


Thursday, December 3, 2015

কাজ দ্রুত করতে প্রয়োজনীয় কয়েকটি শর্টকাট কী দেয়া হল।

কম্পিউটারে কাজ করার সময় আমরা কী-বোর্ড এবং মাউস দুটোই ব্যবহার করি। তবে কাজ দ্রুত করতে সব কাজ যদি কী-বোর্ড দিয়ে করা যায় তাহলে কাজ সহজ হয়ে যায়। আর আমরা অনেকেই কিছু দরকারি শর্টকাট কী জানিনা। তাই প্রয়োজনীয় কয়েকটি শর্টকাট কী দেয়া হল।
Windows + Space
এটি উইন্ডোজ সেভেনের কম্বিনেশানে হিট করা মাত্রই আপনার ওপেন রাখা সমস্ত উইন্ডো ট্রান্সপারেন্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু আপনাকে এই কম্বিনেশানে হিট করে ধরে রাখতে হবে। ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে এই ইফেক্ট ডিএ্যাকটিভ হয়ে পড়বে।
Windows + D
অনেক সময় আমরা যে উইন্ডোতে কাজ করি তা মিনিমাইজ করার প্রয়োজন পরে। এই সময় শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করলে উইন্ডোজের সব ওপেন উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যাবে। আবার সব উইন্ডো ওপেন করতে চাইলে শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করলেই হবে। তাহলে আগের উইন্ডোগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।
Windows + E
শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করা হলে আপনার লাইব্রেরি ফোল্ডারকে শো করার জন্যে অটোমেটিক্যালি একটি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার অন হবে।
Windows + P
আপনার মাল্টিপল মনিটরকে আরো সহজে ম্যানেজ করার জন্যে এই শর্টকাটটি সংযুক্ত করা হয়েছে। শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করার পরেই আপনার ডেস্কটপে একটি ওভারলে এ্যাপিয়ার করবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সেকেন্ড ডিসপ্লে এবং প্রজেক্টর কে কন্ট্রোল করতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে একটি সিঙ্গেল মনিটর থেকে ডুয়াল ডিসপ্লে এবং এক্সটেন্ডেড ডেস্কটপ মোডে সুইচ করতে পারেন।
Windows + + ( প্লাস কী ) এবং Windows + – ( মাইনাস কী )
এটি ইউন্ডোজ সেভেনের ম্যাগনিফাইয়িং ফিচার। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে প্লাস অথবা মাইনাস কী তে স্ট্রোক করে আপনি আপনার ডেস্কটপের যে কোন অংশ ম্যাগনিফাই করতে পারবেন।
Windows + Shift + Left/Windows + Shift + Right
আপনি যদি একাধীক ডিসপ্লে ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই শর্টকাটের মাধ্যমে আপনি ইন্সট্যান্টলি এক স্ক্রীন থেকে আরেকটিতে ট্রান্সফার হতে পারবেন। সাধারণত মাল্টিপল ডকুমেন্টে কাজ করার সময় এটি ইফেক্টিভ একটি ফিচার।
Ctrl + Shift + Click
কোন এ্যাপ্লিকেশানে এ্যাডমিনিস্ট্র্যাটিভ এ্যাকসেস পেতে চাইলে ঐ এ্যাপ্লিকেশান লঞ্চ করার সময় Ctrl + Shift চেপে এ্যাকটিভ করতে হবে।
Windows + Left এবং Windows + Right
উইন্ডোজ সেভেনের একটি চোখে পড়ার মত ফিচার আছে। এখানে মাউজ দিয়ে সিম্পলি বাম থেকে ডানে ড্র্যাগ করে উইন্ডো সাইজকে আপনার ডেস্কটপের অর্ধেকে নিয়ে আসতে পারবেন।
Alt + P
ফাইল প্রিভিউকে এ্যাকটিভ করতে এই কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়।
Windows + Up এবং Windows + Down
যে কোন উইন্ডো সাইজকে মাক্সিমাম করতে উইন্ডোজ এবং আপ কী চেপে ধরলে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে যাবে। আবার একই ভাবে উইন্ডোজ এবং ডাউন কী চাপলে উইন্ডোটি মিনিমাইজ হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, পুনরায় উইন্ডোজ এবং আপ কী চাপরে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে রিস্টোর হয় না।

Tuesday, December 1, 2015

কম্পিউটারেরসাধারণ কিছু সমস্যা ও তারসমাধান


কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও
তার সমাধান

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও
তার সমাধান


সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং
করছে
সমস্যা ২- পিসি বারবার রিস্টার্ট
হচ্ছে
সমস্যা ৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে
গেলে করণীয়
সমস্যা ৪- উইন্ডোজে
আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান
সমস্যা ৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট
অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন
সমস্যা ৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস
থেকে বাঁচার উপায়


সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং
করছে
সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি
হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন
খেয়াল করবেন র্যাম স্লটে ঠিকমতো
বসানো আছে কিনা। এরপর যদি
একাধিক র্যাম ব্যবহার করে থাকেন
তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই
বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম
স্ট্যাবিলিটির জন্য একই
বাসস্পিডবিশিষ্ট র্যাম ব্যবহার করা
খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের
কারণেও এমনটা হতে পারে।
সমস্যা ২- পিসি বারবার রিস্টার্ট
হচ্ছে
সমাধান: অনেক সময়ই এই সমস্যা দেখা
যায়। কাজের সময় যখন তখন পিসি
রিস্টার্ট হচ্ছে। অথবা, উইন্ডোজ
লোড হয়েই আবার রিস্টার্ট করছে।
বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে
পারে। আসুন দেখে নিই কারণগুলো-
* সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের
কারণে এমনটি হয়। তাই
এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে পিসি
স্ক্যান করুন। তাতেও কাজ না হলে
উইন্ডোজ ইন্সটল ছাড়া গতি নেই।
* ইন্টারনেট অপরিচিত মেইল,
এটাচমেন্ট, মেসেজ ওপেন করা
থেকে বিরত থাকুন। কারণ এভাবেই
ভাইরাস বেশি ছড়ায়।
* র্যামের সমস্যা বা ভিন্ন ভিন্ন
বাসস্পিডের র্যাম থাকলে এমনটি
হতে পারে। একই বাস স্পিডের র্যাম
সবসময় ব্যবহার করবেন।
* মাঝে মাঝে কোনো সফটওয়্যার
ইন্সটলেশনের কারণেও এই সমস্যা
দেখা দিতে পারে। কাজেই মনে
করুন এই সমস্যা করার আগে কোন
কাজটি করেছিলেন। মনে থাকলে
সেটি রিমুভ করে ফেলুন।
* পিসিতে নতুন সংযুক্ত কোনো
হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্টের কারণেও
এটি হতে পারে। এমতাবস্থায়
হার্ডওয়্যারটি খুলে ড্রাইভার
আনইন্সটল করুন।
* সিপিইউর যন্ত্রাংশে ধুলাবালি
জমেও এমনি হতে পারে। তাই
নিয়মিত কম্পিউটার পরিষ্কার রাখুন
ও যতটা সম্ভব শুষ্ক ঠান্ডা স্থানে
রাখুন।
* বায়োসে সিপিইউ ফ্যানের
প্রোফাইলে সমস্যার কারনেও এটা
হতে পারে।হয়তো আপনার ফ্যান
প্রোফাইল সাইলেন্ট করে রাখা,
একারনে দরকারি হেভীওয়েট
কাজের সময় সিপিইউ পর্যাপ্ত তাপ
নির্গমন করতে না পেরে পিসি
রিস্টার্ট নেয়। এক্ষেত্রে বায়োসে
গিয়ে ফ্যান প্রোফাইল
ইন্টিলিজেন্ট বা টার্বো করে দিন।
* আর ভোল্টেজ উঠানামার কারণেও
এমনটা হতে পারে। এজন্য ইউপিএস
ব্যবহার করুন।
সমস্যা ৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে
গেলে করণীয়
সমাধান: কম্পিউটার অনেক কারণেই
স্লো হতে পারে। এর মধ্যে আছে-
1.অতিরিক্ত ধুলা-বালির জন্য
কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে।
এজন্য মাসে অন্তত একবার হলেও
সিপিইউ খুলে এর ধুলাবালি
পরিস্কার করা উচিত।
2.ভাইরাসের কারণে পিসি স্লো
হয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত
ভাইরাস স্ক্যান করুন।
3.সি ড্রাইভের জায়গা বেশি ভরে
গেলে পিসি স্লো হতে পারে। সি
ড্রাইভের অপ্রয়োজনীয় ডাটা অন্য
ড্রাইভে রাখুন।
4.খুব বেশি এপ্লিকেশন ইন্সটল বা
আনইন্সটল করলে পিসি ধীরে ধীরে
স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য অযথা
যেকোনো সফটওয়ার ইন্সটলেশন
থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা ৪- উইন্ডোজে
আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান
সমাধান: উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতায়
এবং সেভেনে অটোমেটিক
আপডেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার।
এর মাধ্যমে উইন্ডোজ নিজে থেকে
ইন্টারনেট থেকে আপনার
অপারেটিং সিস্টেম,
এ্যাপ্লিকেশন ও হার্ডওয়্যারের জন্য
প্রয়োজনীয় আপডেট ডাউনলোড করে
থাকে। পাশাপাশি সিকিউরিটি
সিস্টেমও আপডেট হয় এভাবে। তবে
অনেক সময় আপডেট আপনার পিসির
স্ট্যাবিলিটি নষ্ট করে দিতে
পারে। যেমন আপডেট করে পিসি
রিস্টার্ট করার পর এরর মেসেজ,
পিসি স্লো হয়ে যাওয়া, হ্যাং
করা ইত্যাদি। তখন প্রয়োজন পড়বে
সাম্প্রতিক আপডেটটি ডিলিট করে
ফেলার। আসুন দেখে নিই আপডেট
কিভাবে আনইন্সটল করবেন। সব ওএস-এ
নিয়ম প্রায় একই। আমি ভিসতার
পদ্ধতি অনুসরণ করছি।
* কন্ট্রোল প্যানেল থেকে
প্রোগ্রামস এন্ড ফিচারস এ যান।
* বাম পাশের টাস্কস মেনু থেকে
ভিউ ইন্সটলড আপডেটস-এ ক্লিক করন।
* এখানে যে সমস্ত আপডেট
ডাউনলোড করেছেন তার লিস্ট
থেকে প্রয়োজনীয় আপডেটটি
সিলেক্ট করে রিমুভ করুন। কোন
আপডেট কবে ইন্সটল করেছেন তা
দেখে সহজেই লেটেস্ট আপডেট
কোনটি তা বুঝতে পারবেন।
* অথবা কন্ট্রোল প্যানেল>উইন্ডোজ
আপডেট-এ গিয়ে ভিউ আপডেট
হিস্টরিতে যান। সেখান থেকে
ইন্সটলড আপডেট-এ ক্লিক করেও
কাজটি করতে পারে।
সমস্যা ৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট
অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন
সমাধান: অনেকেই ডুয়েল বুট করে একই
কম্পিউটারে দুইটি অপারেটিং
সিস্টেম ব্যবহার করে থাকেন।
আপনারা যদি চান তাহলে এর মধ্যে
যেকোনো একটি ডিফল্ট
অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে
সেট করে নিতে পারেন যাতে
প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে
অটোমেটিকালি সেটাই চালু হয়।
এজন্য-
1.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে
প্রোপার্টিজে যান। এডভান্সড
সিস্স্টেম সেটিংস-এ যান।
2.এডভান্সড ট্যাব থেকে স্টার্ট আপ
এন্ড রিকভারিতে যান। ডিফল্ট
অপারেটিং অপারেটিং সিস্টেম
ঠিক করে দিন।
3.এবার নিচের টাইম টু ডিসপ্লে
লিস্ট অফ অপারেটিং সিস্টেমস এ
সময় ৩০ সেকেন্ড থেকে কমিয়ে ১
বা ২ সেকেন্ড করে দিতে পারেন।
এর মানে আপনি বুটিং সময় অন্য
অপারেটিং সিস্টেমে যেতে
চাইলে এই পরিমাণ সময় পাবেন।
চাইলে তাই এটিকে বাড়িয়ে ৫/১০
সেকেন্ডও করে রাখতে পারেন।
সমস্যা ৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস
থেকে বাঁচার উপায়
সমাধান: কম্পিউটার ভাইরাস
আক্রান্ত হলে পিসি মাঝে মাঝে
হ্যাং করতে পারে, কখনো বা
রিস্টার্ট নিতে পারে। আবার হঠাৎ
করে অদ্ভুত কোনো মেসেজও আসতে
পারে। সর্বোপরি পিসি স্লো হয়ে
যাবে।
আপনি আপনার অপারেটিং
সিস্টেম কি সেটা লিখেন নি।
যদি আপনি উইন্ডোজ় ৭ ব্যবহার করে
থাকেন তাহলে মাইক্রোসফটের
ফ্রি সিকিউরিটি এসেনশিয়াল
যথেষ্ঠ ভালো কাজ করতে সক্ষম। আর
এক্সপি কিংবা ভিসতায় আলাদা
কোনো এন্টিভাইরাস ব্যবহার
করাটাই শ্রেয়। তবে যেটাই ব্যবহার
করুন তা নিয়মিত হালনাগাদ করুন।
আর ইন্টারনেট না বুঝে যেকোনো
সাইটে গিয়েই রেজিস্ট্রেশন
করবেন না। তাতে ভাইরাস
সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও
তার সমাধান

কম্পিউটার এর কিছু সমস্যাও সমাধান !!!!! (পড়ুন উপকারআপনারই হবে ।)


আপনাদের সাথে আজ কম্পিউটার এর
কিছু সমস্যা ও সমাধানের নিয়ে
আলোচনা করব।
আপনি প্রযুক্তির সাথে থাকতে গেলে
আপনাকে অবশ্যই এর নানা
প্রতিবন্ধকতা পার করে এগিয়ে যেতে
হবে,আপনার সমস্যা থাকবেই কিছু
আপনি নিজে সমাধান করবেন আর কিছু
বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে
সাহায্য নিয়ে সমাধান করবেন। আমরা
প্রতিনিয়ত যেসব প্রবলেম ফেস করি
তার মধ্যে থেকে সংকলিত আঁকারে
প্রতিদিন কিছু কিছু সমস্যা ও তার
সমাধান নিয়ে হাজির হব
ইনশাআল্লাহ্,আর আশা করি
এতে আপনার উপকার হবে বা অনেক
কিছু জানতে পারবেন। আর চাইলে
আপনিও একইভাবে প্রশ্ন করতে পারেন
বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন।
সমস্যার উত্তর থেকে সবাই উপকার
পাবে তাহলে অবশ্যই এই রেগুলার
পোষ্টে আপনার সমস্যা বা আপনার
সমাধান টি যত্নসহকারে প্রকাশিত
হবে।
এবার দেখুন কিছু সংকলিত ও সংগৃহীত
সমস্যা ও তার সমাধান-
সমস্যা ১ : কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা
বিভিন্ন ওয়ার্ড ফাইল পরবর্তী সময়ে
খুলতে গেলে ওয়ার্ড প্রোগাম বন্ধ হয়ে
যায়। এমনকি বারবার চেষ্টা করলে
কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়।
* সমাধান : আপনার কম্পিউটারে
ভাইরাস রয়েছে। এ কারণে সংরক্ষণ
করা বিভিন্ন ওয়ার্ড ফাইল খুলছে না।
উন্নতমানের লাইসেন্স
করা #ANTIVIRUS ব্যবহার করুন এবং নতুন
করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করুন।
সমস্যা ২ : আমার ল্যাপটপে উইন্ডোজ XP
ইনস্টল করার সময় সাউন্ড ড্রাইভার
সঠিকভাবে ইনস্টল হলেও সাউন্ড আসে
না। আমি আগে উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার
করতাম।
* সমাধান : অনেক ল্যাপটপে নরম্যাল XP
সঠিকভাবে কাজ করে না, সে
ক্ষেত্রে আপনাকে আপডেট উইন্ডোজ
ব্যবহার করতে হবে। আপনি আবার
উইন্ডোজ ৭ ইনস্টল করে দেখুন।
সমস্যা ৩ : আমার কম্পিউটারের
মনিটরে শুধু গোলাপি রঙের ডেস্কটপ
দেখা যায়। আমি মনিটরের রং
নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত সুইচগুলো ব্যবহার
করার চেষ্টা করলে ওই সুইচগুলো লক
করার (তালার) ছবি প্রদর্শন করে।
* সমাধান : আপনার মনিটরে সমস্যা
রয়েছে। মনিটরের যদি বিক্রয়োত্তর
সেবা থাকে, তবে যে প্রতিষ্ঠান
থেকে মনিটর কিনেছেন সেখান
থেকে পরিবর্তন করে নিন। তবে যদি
বিক্রয়োত্তর সেবা না থাকে,
তাহলে মনিটরটি আপনি ভালো
মানের সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে
যান।
সমস্যা ৪ : আমার কম্পিউটারে
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকলেও কিছু
দিন পরপর কাজের গতি খুবই ধীর হয়ে
যায়। বিশেষ করে একসঙ্গে একাধিক
ফাইল খুললে কম্পিউটারে কাজ করতে
অনেক সময় প্রয়োজন হয়।
* সমাধান : এন্টিভাইরাস ব্যবহার
করলে কম্পিউটারের গতি কিছুটা কমে
যায়। আপনি যে এন্টিভাইরাসটি
ব্যবহার করছেন সেটি আনইনস্টল করে
আবার ইনস্টল করেন। প্রয়োজনে র্যামের
গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।
সমস্যা ৫ : কিছুদিন ধরে আমার
কম্পিউটার চালুর ৫-১০ মিনিট পর
রিস্টার্ট হয়ে যাচ্ছে। কম্পিউটার
আবার চালু করলে ঠিকমতো কাজ করে,
কিন্তু আবার রিস্টার্ট হয়। তবে
বারবার রিস্টার্ট হওয়ার পর
কম্পিউটারে এ ধরনের সমস্যা আর হয়
না।
* সমাধান : আপনি প্রথমে
কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাইটি
পরিবর্তন করে নিন। এবার প্রসেসরের
ফ্যানটি খুলে পুনরায় সঠিক পদ্ধতিতে
সংযোগ দিন।
সমস্যা ৭ : কম্পিউটারে কাজ করার সময়
একধরনের শব্দ হতে থাকে। ইউএসবি
ডাটা ক্যাবল কম্পিউটারের সঙ্গে
সংযোগ দিলে যেমন শব্দ হয়, এ শব্দটি
অনেকটা সে ধরনের হয়ে থাকে। এর
পরই কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়।
* সমাধান : আপনি কম্পিউটারের
মাদারবোর্ডে প্রসেসরের সঙ্গে
থাকা ফ্যানটি খুলে পরিষ্কার করে
আবার সঠিকভাবে সংযোগ দিন। এরপর
র্যাম স্লট থেকে র্যামটি খুলে স্লটটি
এবং র্যামটি পরিষ্কার করে আবার
সংযোগ দিন।
সমস্যা ৮ : আমার কম্পিউটারের
মাদারবোর্ডের সিডি হারিয়ে
গেছে। তাই উইন্ডোজ সেটআপ করার
সময় কয়েকটি ড্রাইভার ফাইল মিসিং
দেখায় এবং অডিও-ভিডিও ফাইল
চলে না।
* সমাধান : আপনি যে মডেলের
মাদারবোর্ড ব্যবহার করেন, সেই
মাদারবোর্ডটির ড্রাইভার ফাইল
ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতে
পারবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন কম্পিউটার
বিক্রেতা অথবা সার্ভিস সেন্টার
থেকে মাদারবোর্ডের ড্রাইভার
সিডি সংগ্রহ করতে পারেন।
সমস্যা ৯ : কম্পিউটার বন্ধ করার জন্য শাট
ডাউন কমান্ড দেওয়ার পর বন্ধ হতে প্রায়
পাঁচ মিনিট সময় নেয়। এ ছাড়া পরবর্তী
সময়ে কম্পিউটার চালু করার সময়ও
আগের তুলনায় অনেক ধীরগতিতে চালু
হয়।
* সমাধান : আপনি নিয়মিত ডিস্ক
ক্লিনআপ ব্যবহার করে আপনার
কম্পিউটার থেকে অপ্রয়োজনীয়
ফাইলগুলো মুছে ফেলুন।
আজ এই পর্যন্তই,আশা করি এই পোষ্ট
থেকে আপনার কিছু প্রবলেম নিজেই
সারাতে পারবেন। এই ধরনের পোষ্ট
নিয়মিত দেখতে চোখ রাখুন এই
ব্লগটিতে আরো বেশ কিছু সমস্যা ও
তার সমাধান চলে আসবে যথারীতি!
একটি কথা আপনি এই পোষ্ট টি আপনার
বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন এতে হয়তো
তার প্রবলেম থেকে সে মুক্তি লাভ
করতে পারে।
আজ এই পর্যন্তই।
আল্লাহ্ হাফেজ।

Monday, November 30, 2015

আপনার পেনড্রাইভকে ব্যবহার করুন র্যাম হিসাবে........

পেনড্রাইভ RAM(ভার্চুয়াল মেমরি)
হিসাবে কাজ করবে…………………।
ইচ্ছা করলে আপনি আপনার
পেনড্রাইভকে র্যাম হিসাবে
ব্যবহার করতে পারেন।এতে আপনার
কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা কিছুটা
বৃদ্ধি পাবে।এজন্য আপনার লাগবে
নুন্যতম ২ গিগাবাইট পেনড্রাইভ, তবে
৪ গিগাবাইট হলে ভাল হয়।
১।প্রথমে আপনার পেনড্রাইভকে
কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করুন।
২।এখন My Computer এ ডান ক্লিক করে
properties এ যান।
৩।এখন Advanced/Perfomance/Settings/
Advanced/Change অপশনে যান।(for xp)
Advanced system settings/Advanced/
Perfomance/Settings/Advanced/Change
অপশনে যান।(for win 7)
৪।এখন Drive(volume lavel) অপশনের মেনু
থেকে পেনড্রাইভ নির্বাচন করুন।
৫।এর পর Custom size option নির্বাচন
করে Initial size এবং Maximum size
বাক্সে আপনি পেনড্রাইভের যতটুক
জায়গা র্যাম হিসাবে ব্যবহার করতে
চান তার সংখ্যা লিখতে হবে।
মনে রাখবেন, আপনি যে সাইজ লিখুন
না কেন তা যেন আপনার
পেনড্রাইভের মেমরি থেকে প্রায়
১০ মেগা কম হয়।
৬।এরপর Apply/OK দিয়ে কম্পিউটার
রিস্টার্ট করুন।এবার আপনার
পেনড্রাইভ র্যাম হিসাবে কাজ
করবে।

Tuesday, November 24, 2015

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান।

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের
অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের
দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং
ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী
আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ
ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই
সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান
সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও
ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে।
God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন
ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে
ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত
নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে
অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং
VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড
থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে
পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে
নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে
রিনেম করতে হবে God Mode.
{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
এটি দিয়ে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল
প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে।
এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ
অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন
সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।
Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর
রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ
রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি
সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে
প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার
রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের
জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি।
সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী
ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য
করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার
ব্যবহার করতে
উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ
করুন
রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে
এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার
করতে পারবেন।
সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট:
পিসি সহজে চালানোর জন্য
ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-
বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে
প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক
পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল
স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key
শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে
কপি করে।
Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল
করে।
চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে
Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক
ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে
সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক
ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl +
Shift + Esc।
Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে
ব্যবহার করা হয়।
সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window +
Pause/ Break
সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর
সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে
হবে।
ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট
ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই
কাজ সরাসরি করা যায়।
Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি
থেকে বাঁচতে।
Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের
কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে
নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা
যাবে।
Private Browsing Window: ব্রাউজারে
আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন
তা গোপন করতে চাইলে
Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল
ক্রোম ব্রাউজারের জন্য।
Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো
মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের
জন্য।

Tuesday, November 17, 2015

কম্পিউটার সর্বশেষ চালু ও বন্ধের সময় জানুন খুব সহজে


এবার বুঝতে পাবেন আপনার অনুপস্থিতে কেউ কম্পিউটার অফ/অন কররো কি না?
আপনার কম্পিউটার কখন চালু করেছেন বা বন্ধ করেছেন বা আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার পিসিটি ব্যবহার করেছে কিনা তা খুব সহজে জানতে পারেন। এ জন্য আপনি উইন্ডোজ এর বাই ডিফল্ট SchedLgU.Txt দেখে বুঝতে পারেন
সিস্টেম রুটে অর্থাৎ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে সে ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে ফাইলটি আছে সেখান থেকে বা স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে
C:\WINDOWS\Tasks\SchedLgU.Txt
লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে।
এবার ডকুমেন্টের ভিতরে [Task Scheduler Service] লেখা লাইনের নীচে সর্বশেষ কখন কম্পিউটার ON/OFF করেছেন তা দেখতে পারেন।
৩২ কিলোবাইটের এই ফাইলটিতে সর্বশেষ ১৩৫ বার কম্পিউটার খোলা ও বন্ধ করার তথ্য (সময় ও তারিখ) সংরক্ষিত থাকে। কম্পিউটার ১৩৫ বারের বেশী খোলা ও বন্ধ করলে উক্ত লাইন আবার প্রথম থেকে আসতে থাকবে অর্থাৎ পূর্বের তথ্যের উপর নতুন তথ্য প্রতিস্থাপন হবে।
এই টিউন টি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো "ব্লগ লেখক ডট কমে"
সকল হন্ধুদেরকে ব্লগ লেখক ডট কমে
লেখার দাওয়াত রইলো !!!
আবারো বললাম,
কম্পিউটার সর্বশেষ চালু ও বন্ধের সময় জানুন খুব সহজে
এবার বুঝতে পাবেন আপনার অনুপস্থিতে কেউ কম্পিউটার অফ/অন কররো কি না?
আপনার কম্পিউটার কখন চালু করেছেন বা বন্ধ করেছেন বা আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার পিসিটি ব্যবহার করেছে কিনা তা খুব সহজে জানতে পারেন। এ জন্য আপনি উইন্ডোজ এর বাই ডিফল্ট SchedLgU.Txt দেখে বুঝতে পারেন
সিস্টেম রুটে অর্থাৎ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে সে ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে ফাইলটি আছে সেখান থেকে বা স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে
C:\WINDOWS\Tasks\SchedLgU.Txt
লিখে ওকে করলেই ফাইলটি নোট প্যাডে খুলবে।
এবার ডকুমেন্টের ভিতরে [Task Scheduler Service] লেখা লাইনের নীচে সর্বশেষ কখন কম্পিউটার ON/OFF করেছেন তা দেখতে পারেন।
৩২ কিলোবাইটের এই ফাইলটিতে সর্বশেষ ১৩৫ বার কম্পিউটার খোলা ও বন্ধ করার তথ্য (সময় ও তারিখ) সংরক্ষিত থাকে। কম্পিউটার ১৩৫ বারের বেশী খোলা ও বন্ধ করলে উক্ত লাইন আবার প্রথম থেকে আসতে থাকবে অর্থাৎ পূর্বের তথ্যের উপর নতুন তথ্য প্রতিস্থাপন হবে।

Saturday, November 7, 2015

কম্পিউটারের অকার্যকর ফাইল ও ফোল্ডার ডিলিট না হলে করনীয়

কম্পিউটারের অকার্যকর ফাইল ও
ফোল্ডার ডিলিট না হলে করনীয়
কম্পিউটারে কখনো কখনো এমন কিছু
ফাইল বা ফোল্ডার তৈরি হয়,
যেগুলো মুছে ফেলা (ডিলিট) যায়
না। ফাইল মোছা না গেলে সেটি
বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু এসব ফাইলও ডিলিট করা যাবে।
এ কাজটি করতে অবশ্যই উইন্ডোজ
অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রম্পট
বিষয়ে জানতে হবে এবং ফাইল
ফোল্ডারের ডিরেক্টরি সম্পর্কে
সম্যক ধারণা থাকতে হবে।এ
প্রক্রিয়াটি উইন্ডোজ ৭ এর জন্য তবে
উইন্ডোজ ৮ এ একই সিস্টেম শুধু সার্চ অপশন
ব্যবহার করতে হবো

প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন।
cmd.exe এলে ডান ক্লিক করে Run as
administrator নির্বাচন করে খুলুন। কমান্ড
প্রম্পটের উইন্ডোকে ছোট করে
(মিনিমাইজ) রেখে Ctrl+Alt+Del চেপে
টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। আবার
ডেস্কটপের নিচের টাস্কবারে ডান
ক্লিক করে Start Task Manager-এ ক্লিক
করে চালু করুন। কম্পিউটারে explorer.exe
চালু থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফাইলকে
মোছা যায় না, তাই এটিকে বন্ধ
করতে Process ট্যাবে গিয়ে explorer.exe
খুঁজে নিয়ে তাতে ডান ক্লিক করে End
Process Treeতে ক্লিক করুন। একটি বার্তা
আসবে। সেটিতে আবার End Process
চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পটের
উইন্ডোতে ফিরে আসুন। আপনার যে
ড্রাইভে ফাইলটি আছে, সেটির
ডিরেক্টরি এখানে লিখে দিতে
হবে।
আপনার ফাইলটি যদি D: ড্রাইভে
থাকে, তাহলে এখানে cd D: লিখে
এন্টার করুন। cd কমান্ড দেওয়ায় D:
ড্রাইভে থাকা ফাইল পাওয়া যাবে।
এবার যে ফাইলটি মুছে ফেলতে চান,
সেটির জন্য এখানে ফাইলের যেমন del
D:\Software\SuperCopier22beta.exe লিখে
এন্টার চাপুন। খেয়াল করুন এখানে del
সংকেত দিয়ে ফাইল মুছবে আর পরের
অংশটি ফাইলের ডিরেক্টরি। তাই
এখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের
ডিরেক্টরি বসিয়ে নিয়ে করুন।
(যেমনঃ আমি D ড্রাইভ এর Software
ফোল্ডার এর SuperCopier22beta.exe নামের
ফাইল টি ডিলিট করেছি)
এবার আসি ফোল্ডার কিভাবে
ডিলিট করবেন। কোনো ফোল্ডার
মুছতে চাইলে RD /S /Q d:\Software\Demo—
এভাবে লিখে এন্টার করুন। এখানে RD /
S /Q ফাইল মুছে ফেলার সংকেত
(কমান্ড) আর পরের অংশটি আপনার
কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের ডিরেক্টরি।
(যেমনঃ আমি D এর Software ফোল্ডার এর
ভিতর Demo নামের ফোল্ডার টি
ডিলিট করেছি)
বুঝতে সমস্যা হলে নিচের স্ক্রীনশট টি
দেখুন। আশা করি সব বুঝতে পারবেন।

সিডি ডিস্ক রাইট করুন সহজে

সিডি ডিস্ক রাইট করুন সহজে

অনেক সময় দরকারি বিভিন্ন তথ্য
(ডেটা) বা ছবি সিডি, ডিভিডিতে
সংরক্ষণ করে রাখার প্রয়োজন পড়ে।
দরকারি তথ্য সিডি-ডিভিডিতে কপি
বা রাইট করতে ভালো কাজ দেয়
সিডি বার্নার এক্সপি নামের
সফটওয়্যারটি। এটি বিনা মূল্যে পাওয়া
যায় এবং একই সঙ্গে ডেটা, ভিডিওসহ
যেকোনো ফরম্যাটের তথ্য সিডি বা
ডিভিডিতে সংরক্ষণ করে রাখার
প্রায় সব সুবিধা এতে বিদ্যমান।
http://cdburnerxp.se/en/download ঠিকানা
থেকে সফটওয়্যারটি (৫.০২ মেগাবাইট)
নামিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে ইনস্টল
করে নিন। ইনস্টল শেষে সফটওয়্যারটি
চালু করুন। চালু হলে মূল পাতায় এর
বিভিন্ন সেবার তালিকা দেখা
যাবে। এ তালিকায় থাকা ডেটা Data
Disc ব্যবহার করে সব ধরনের তথ্য (অডিও,
ভিডিও, সফটওয়্যার) ডিস্কে সংরক্ষণ
করা যাবে। Audio Disc এবং Video Disc
ব্যবহার করে অডিও ও ভিডিও সংরক্ষণ
করা যাবে। Copy or grab Disc ব্যবহার করে
বুটেবল উইন্ডোজের ডিস্কসহ যেকোনো
ডিস্কের হুবহু কপি সংরক্ষণ করা যাবে।
Erase Disc ব্যবহার করে রি-রাইটেবল
ডিস্কের তথ্য মুছে তাতে আবার রাইট
করা যাবে। এভাবে যে সেবা দরকার,
সেটি নির্বাচন করে নিচের নিয়মে
যেকোনো তথ্য ডিস্কে রাইট করে তা
সংরক্ষণ করা যাবে।
সব তথ্য একই ডিস্কে রাখতে চাইলে Data
Disc নির্বাচন করে OK চাপুন। এবার Edit
মেনু থেকে Add Folder-এ ক্লিক করে যে
ফাইল দরকার, তা নির্বাচন করে OK
চাপুন। খেয়াল করুন, এখানের ফলাফল
হিসেবে দুটি ভিন্ন বর্ণের মাধ্যমে
ডিস্ক কতটুকু পূর্ণ হলো তা দেখাবে।
সিডি ও ডিভিডি ডিস্কের আকার
(সাইজ) অনুযায়ী যথাক্রমে ৬০০
মেগাবাই ও ৪.২৫ গিগাবাইট তথ্য রাইট
করা সুবিধাজনক। এতে করে যেকোনো
ডিস্ক ভালো থাকে। সব ফাইল যোগ
করা শেষ হলে কিবোর্ড থেকে CTRL+B
একসঙ্গে চাপলে সিডি রাইটিংয়ের
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাবে এবং
সিডি বা ডিভিডি রাইটারে নতুন
ডিস্ক (ব্ল্যাংক ডিস্ক) খুঁজবে। কাজ
হবে নতুন ডিস্ক রাইটারে প্রবেশ
করানো। ডিস্ক কত সময়ে তার কপি করা
সম্পন্ন করবে, সেটি Burn Speed থেকে
নির্ধারণ করে দিতে হবে। এখানে
সর্বনিম্ন স্পিড রাখা ভালো। এতে
করে ডিস্ক বেশি দিন তার কার্যক্ষমতা
ঠিক রাখতে পারে। সব কাজ
ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করে Burn Disc
চাপলে ডিস্কে তথ্য রাইট হতে থাকবে।

Wednesday, November 4, 2015

বর্তমান সময়ে কম্পিউটার এর বিভিন্ন যন্ত্রানাংশ এর দাম

বর্তমান সময়ে কম্পিউটার এর বিভিন্ন
যন্ত্রানাংশ এর দাম
ঢাকার প্রযুক্তি বাজারে বেশ কিছু তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের
দাম কমেছে। প্রযুক্তি বাজারে বেচাকেনা ভালো। গত
কিছুদিন এ পাওয়া বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম নিচে দেওয়া
হল।

প্রসেসর :
ইন্টেল কোর আই-৩ (৩.১ গি.হা) ১০,৫০০ টাকা।
ইন্টেল সেলেরন ১.৮ গি.হা ৩,৫০০ টাকা। ইন্টেল কোর
আই-৫ ৩.১গি.হা. ১৮,৫০০ টাকা। ইন্টেল কোর আই-৭
২৮,৫০০ টাকা। ৩.৪গি.হা. ২৮,৫০০ টাকা। পেন্টিয়াম
ডুয়েল কোর-৩ ২.৬গি.হা. ৫,৫০০ টাকা। পেন্টিয়াম
ডুয়েল কোর-৩ ৩.০গি.হা. ৫,৭০০ টাকা। ইন্টেল ওপেন
কোরআই-৩ ৩.০৬ গি.হা. ৯,৩০০ টাকা।

মাদারবোর্ড: গিগাবাইট জিএ৪১এমটি-ডি৩ ৪,৬০০ টাকা।
জি৪১এমকমবো ৪,৫৫০ টাকা। এইচ৬১এম ৬,১০০ টাকা।
জিএ-জেড৬৮ এমএ ১১,২০০ টাকা। ইন্টেল
ডিজি৪১ডব্লিওভি ৪,৯০০ টাকা। জি৪১এম ৪,৪০০
টাকা। ক্সকনএইচ৫৫এমএক্সভি ৫,২০০ টাকা।
জি-৪১এমএক্সই ৩,৬০০ টাকা। জি৪১এমডি ৪,০০০
টাকা

র্যাম :
ডিডি আর-৩ এ্যাপাসার ২গি.বা ১,১০০ টাকা। এডেটা
২গি.বা ১,১০০ টাকা। ট্রানসেন্ড-১১০০ ২গি.বা
১,২০০ টাকা। ডিডি আর-২ ট্রানসেন্ড ২গি.বা. ২,৭০০
টাকা। এডেটা ৪গি.বা ২,০০০ টাকা। এ্যাপাসার ৪গি.বা
২,০০০ টাকা।

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:স্যামসাং ৩২০ গি.বা. ৭,০০০ টাকা।
৫০০ গি.বা. ৭,০০০ টাকা। ওয়েস্টান ডিজিটাল
এইচডিডি ৫০০ গি.বা. ৭,০০০ টাকা। হিটাচি ৫০০ গি.বা
৬,২০০। ১ টেরাবাইট ৯,৫০০ টাকা।

এলসিডি মনিটর: স্যামসাং ১৭ ইঞ্চি ৯,৪০০ টাকা। ২৪
ইঞ্চি ২৩,৫০০ টাকা। ফিলিপস ১৮.৫ ইঞ্চি ৮,০০০
টাকা। ডেল ১৭ ইঞ্চি ৯,২০০ টাকা। এলজি ১৮.৫
ইঞ্চি ৮,৩০০ টাকা। ২০ ইঞ্চি ১১,৫০০ টাকা। আসুস
১৭ ইঞ্চি ৯,৩০০ টাকা।
এলইডি মনিটর:স্যামসং থ্রিডি ২৩ ইঞ্চি ৫২,০০০
টাকা। ২৭ ইঞ্চি ৬৮,০০০ টাকা।

গ্রাফিকস কার্ড: গিগাবাইট এইচ ডি-৬৫৭০ ১গি.বা.
৬,৩০০। গিগাবাইট৫৪৫০ ৫১২মে.বা. ৩,০০০ টাকা।
আসুস ৫১২ মে.বা. ৩,০০০। এক্সএফএক্স
এইচডি৫৪৫০ ১গি.বা. ৪,০০০ টাকা।

ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার: স্যামসাং ২২এক্স ১,৬০০
টাকা। আসুস ২৪এক্স ১,৮০০ টাকা। লাইটন ২৪এক্স
১,৭০০ টাকা।
কেসিং :
ডিলাক্স ২,২০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা। গিগাবাইট ১,৮০০।
মারকারি ১,৭০০ টাকা।

মাউস: এ৪টেক ৩০০ থেকে ২,২০০ টাকা। লজিটেক ৩৫০
থেকে ২,৭০০ টাকা। ডিজিটেক মাইস ১৫০ থেকে ২০০
টাকা।

কি-বোর্ড: সাধারণ ২৫০ থেকে ২৮০০ টাকা।
মাল্টিমিডিয়া ৫৫০ টাকা।

স্পিকার :
মাইক্রোল্যাব (২:১) ১,৫০০ থেকে ৩,৬০০ টাকা।
ক্রিয়েটিভ এসবিএস(২:১) ১,৮০০ থেকে ৫,০০০ টাকা।
এফএনডি(২:১) ১,৯০০ থেকে ৬,০০০ টাকা।

পেনড্রাইভ: ট্রানসেন্ড ৪গি.বা ৪৫০ টাকা। ৮গি.বা ৬০০
টাকা। ১৬গি.বা ১১০০ টাকা। অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪৫০
টাকা। ৮গি.বা ৬০০ টাকা। এডেটা ৪গি.বা ৪৫০ টাকা।
১৬গি.বা ১২০০ টাকা।

জিপিআরএস মডেম: মোবিডেটা ইডিজিই ১০০ইইউ
২,৭০০ টাকা। এইচএসডিপিএ ১০০এইচইউ ৩,১০০
টাকা। টেকনো টিএম০০৮ ৩,৬০০ টাকা।

টিভি কার্ড: এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ৩,০৫০ টাকা।
এক্সটারনাল ডাব্লিউ৭ ৪,৮০০ টাকা। রিয়েলভিউ
আরভি ১,৯০০ টাকা। গেটমি-২১৮৮ই ২০০০ টাকা।

প্রিন্টার:
ক্যানন পিক্সমা এমপি-২৭৬ ৬,০০০ টাকা। পিক্সমা
এলবিপি-৩৩০০ ১২,০০০। এইচপি ডি-১৪৬০ ২,৮০০
টাকা। এইচপি লেজার পি-১১০২ ৮,৫০০ টাকা। এপসন
এম-১২০০ ৭,২০০ টাকা। ব্রাদার এইচএল ৫৩৪০ডি
১৬,৬০০ টাকা। স্যামসাং এমএল ১৮৬৬ (লেজার)
৭,০০০।

বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক: ট্রানসেন্ড ৩২০ গি.বা ৬,৫০০
টাকা। ৫০০ গি.বা ৮,১০০ টাকা। ৬৪০ গি.বা ৯,৪০০
টাকা। ১ টেরাবাইট ১১,৫০০ টাকা। ওয়েস্টানডিজিটাল
৩২০গি.বা ৫,৮০০ টাকা। ৫০০গি.বা ৭,২০০ টাকা।
১টে.বা. ১২,৩০০টাকা।

ইউপিএস:
ডিজিটেক ৬৫০ ভিএ ২,৭০০ টাকা। ৮০০ ভিএ ৩,২০০
টাকা। ১২০০ ভিএ ৪,৮০০ টাকা। ১০০০ভিএ ৬৬০০
টাকা। ১০ কেভিএ ১,০৫,০০০টাকা।

সংগ্রহঃ ইন্টারনেট

Friday, October 16, 2015

মনিটরের স্ক্রীণ সাইজ ছোটো আসছে

মনিটরের স্ক্রীণ সাইজ ছোটো আসছে
সাধারণত এলসিডি বা সিআরটি মনিটরের স্ক্রীণ সাইজ যদি মনিটরের চেয়ে ছোটো আসে তাহলে বুঝতে হবে যে মনিটরের রেজুলেশন ঠিক নেই। ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে ডিসপ্লে/গ্রাফিক্স প্রোপার্টিজে গিয়ে আপনার মনিটরের সাইজ অনুযায়ী রেজুলেশন সিলেক্ট করুন। তাতেও কাজ না হলে গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপগ্রেড করুন।

সিস্টেম রিপেয়ার ডিস্ক কি এবং এর কাজ কি?


সিস্টেম রিপেয়ার ডিস্ক কি এবং এর কাজ কি?
উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যায় পড়লে আপনার অবশ্যই প্রয়োজন হবে সিস্টেম সেটআপ ডিস্ক। কিন্তু ধরুন আপনার কাছে উইন্ডোজ-এর সিডি/ডিভিডি নেই, কম্পিউটারও চালু হচ্ছে না সময় বুঝে। কি করবেন তখন আপনি? এমন পরিস্থিতিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে সিস্টেম রিপেয়ার ডিস্ক। এর মাধ্যমে আপনার উইন্ডোজ চালু না হলে সেটিকে আপনি ঠিক করতে পারবেন।
1.স্টার্ট মেনুতে system repair disc লিখে এন্টার দিন। ক্রিয়েট এ সিস্টেম রিপেয়ার ডিস্ক ওপেন হবে।
2.আপনার সিডি/ডিভিডি রাইটারে ব্ল্যাংক ডিস্ক ঢুকিয়ে ক্রিয়েট ডিস্কে ক্লিক করুন।
3.এই ডিস্ক মাত্র ১৪২ মেগাবাইট জায়গা নিবে,তাই চাইলে সিডিতেও রাইট করে নিতে পারেন আপনি।
4.এবারে সিস্টেমের যেকোনো সমস্যায় কম্পিউটার বুট না হলে এই ডিস্ক থেকে বুট করান।
5.পরের মেনু থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম সিলেক্ট করে নেক্সটে যান।
6.এরপরেই আপনি রিকভারির অপশনগুলা দেখতে পাবেন। এবারে প্রয়োজনীয় অপশন ব্যবহার করে উইন্ডোজ রিপেয়ার করলে আশা করি আবারো আপনার কম্পিউটার চালু হবে।

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান








সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং করছে সমস্যা
২- পিসি বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে সমস্যা
৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে করণীয় সমস্যা
৪- উইন্ডোজে আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান সমস্যা
৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন সমস্যা
৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়



সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং করছে সমাধান: বিনাকারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।

সমস্যা ২- পিসি বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে সমাধান: অনেক সময়ই এই সমস্যা দেখা যায়। কাজের সময় যখন তখন পিসি রিস্টার্ট হচ্ছে। অথবা, উইন্ডোজ লোড হয়েই আবার রিস্টার্ট করছে। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে। আসুন দেখে নিই কারণগুলো-

* সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের কারণে এমনটি হয়। তাই এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে পিসি স্ক্যান করুন। তাতেও কাজ না হলে উইন্ডোজ ইন্সটল ছাড়া গতি নেই।
* ইন্টারনেট অপরিচিত মেইল, এটাচমেন্ট, মেসেজ ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এভাবেই ভাইরাস বেশি ছড়ায়।
* র‍্যামের সমস্যা বা ভিন্ন ভিন্ন বাসস্পিডের র‌্যাম থাকলে এমনটি হতে পারে। একই বাস স্পিডের র‌্যাম সবসময় ব্যবহার করবেন।
* মাঝে মাঝে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই মনে করুন এই সমস্যা করার আগে কোন কাজটি করেছিলেন। মনে থাকলে সেটি রিমুভ করে ফেলুন।
* পিসিতে নতুন সংযুক্ত কোনো হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্টের কারণেও এটি হতে পারে। এমতাবস্থায় হার্ডওয়্যারটি খুলে ড্রাইভার আনইন্সটল করুন।
* সিপিইউর যন্ত্রাংশে ধুলাবালি জমেও এমনি হতে পারে। তাই নিয়মিত কম্পিউটার পরিষ্কার রাখুন ও যতটা সম্ভব শুষ্ক ঠান্ডা স্থানে রাখুন।
* বায়োসে সিপিইউ ফ্যানের প্রোফাইলে সমস্যার কারনেও এটা হতে পারে।হয়তো আপনার ফ্যান প্রোফাইল
সাইলেন্ট করে রাখা, একারনে দরকারি হেভীওয়েট কাজের সময় সিপিইউ পর্যাপ্ত তাপ নির্গমন করতে না পেরে পিসি রিস্টার্ট নেয়। এক্ষেত্রে বায়োসে গিয়ে ফ্যান প্রোফাইল ইন্টিলিজেন্ট বা টার্বো করে দিন।
* আর ভোল্টেজ উঠানামার কারণেও এমনটা হতে পারে। এজন্য ইউপিএস ব্যবহার করুন।

সমস্যা ৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে করণীয় সমাধান: কম্পিউটার অনেক কারণেই স্লো হতে পারে। এর মধ্যে আছে-

1.অতিরিক্ত ধুলা-বালির জন্য কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য মাসে অন্তত একবার হলেও সিপিইউ খুলে এর ধুলাবালি পরিস্কার করা উচিত।
2.ভাইরাসের কারণে পিসি স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান করুন।
3.সি ড্রাইভের জায়গা বেশি ভরে গেলে পিসি স্লো হতে পারে। সি ড্রাইভের অপ্রয়োজনীয় ডাটা অন্য ড্রাইভে রাখুন।
4.খুব বেশি এপ্লিকেশন ইন্সটল বা আনইন্সটল করলে পিসি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য অযথা যেকোনো সফটওয়ার ইন্সটলেশন থেকে বিরত থাকুন।

সমস্যা ৪- উইন্ডোজে আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান সমাধান: উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতায় এবং সেভেনে অটোমেটিক আপডেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ নিজে থেকে ইন্টারনেট থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম, এ্যাপ্লিকেশন ও হার্ডওয়্যারের জন্য প্রয়োজনীয় আপডেট ডাউনলোড করে থাকে। পাশাপাশি সিকিউরিটি সিস্টেমও আপডেট হয় এভাবে। তবে অনেক সময় আপডেট আপনার পিসির স্ট্যাবিলিটি নষ্ট করে দিতে পারে। যেমন আপডেট করে পিসি রিস্টার্ট করার পর এরর মেসেজ, পিসি স্লো হয়ে যাওয়া, হ্যাং করা ইত্যাদি। তখন প্রয়োজন পড়বে সাম্প্রতিক আপডেটটি ডিলিট করে ফেলার। আসুন দেখে নিই আপডেট কিভাবে আনইন্সটল করবেন। সব ওএস-এ নিয়ম প্রায় একই। আমি ভিসতার পদ্ধতি অনুসরণ করছি।

* কন্ট্রোল প্যানেল থেকে প্রোগ্রামস এন্ড ফিচারস এ যান।
* বাম পাশের টাস্কস মেনু থেকে ভিউ ইন্সটলড আপডেটস-এ ক্লিক করন।
* এখানে যে সমস্ত আপডেট ডাউনলোড করেছেন তার লিস্ট থেকে প্রয়োজনীয় আপডেটটি সিলেক্ট করে রিমুভ করুন। কোন আপডেট কবে ইন্সটল করেছেন তা দেখে সহজেই লেটেস্ট আপডেট কোনটি তা বুঝতে পারবেন। * অথবা কন্ট্রোল প্যানেল>উইন্ডোজ আপডেট-এ গিয়ে ভিউ আপডেট হিস্টরিতে যান। সেখান থেকে ইন্সটলড আপডেট-এ ক্লিক করেও কাজটি করতে পারে।


সমস্যা ৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন সমাধান: অনেকেই ডুয়েল বুট করে একই কম্পিউটারে দুইটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার
করে থাকেন। আপনারা যদি চান তাহলে এর মধ্যে যেকোনো একটি ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে সেট করে নিতে পারেন যাতে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে অটোমেটিকালি সেটাই চালু হয়। এজন্য-
1.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। এডভান্সড সিস্স্টেম সেটিংস-এ যান।
2.এডভান্সড ট্যাব থেকে স্টার্ট আপ এন্ড রিকভারিতে যান। ডিফল্ট অপারেটিং অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করে দিন।
3.এবার নিচের টাইম টু ডিসপ্লে লিস্ট অফ অপারেটিং সিস্টেমস এ সময় ৩০ সেকেন্ড থেকে কমিয়ে ১ বা ২ সেকেন্ড করে দিতে পারেন। এর মানে আপনি বুটিং সময় অন্য অপারেটিং সিস্টেমে যেতে চাইলে এই পরিমাণ সময় পাবেন। চাইলে তাই এটিকে বাড়িয়ে ৫/১০ সেকেন্ডও করে রাখতে পারেন।


সমস্যা ৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় সমাধান: কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হলে পিসি মাঝে মাঝে হ্যাং করতে পারে, কখনো বা রিস্টার্ট নিতে পারে। আবার হঠাৎ করে অদ্ভুত কোনো মেসেজও আসতে পারে।সর্বোপরি পিসি স্লো হয়ে যাবে। আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম কি সেটা লিখেন নি। যদি আপনি উইন্ডোজ় ৭ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে মাইক্রোসফটের ফ্রি সিকিউরিটি এসেনশিয়াল যথেষ্ঠ ভালো কাজ করতে সক্ষম। আর এক্সপি কিংবা ভিসতায় আলাদা কোনো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করাটাই শ্রেয়। তবে যেটাই ব্যবহার করুন তা নিয়মিত হালনাগাদ করুন। আর ইন্টারনেট না বুঝে যেকোনো সাইটে গিয়েই রেজিস্ট্রেশন করবেন না। তাতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।