Showing posts with label এন্ড্রোয়েড মোবাইল. Show all posts
Showing posts with label এন্ড্রোয়েড মোবাইল. Show all posts

Friday, December 4, 2015

Samsung Galaxy A5 অত্যাধুনিক জনপ্রিয় মোবাইলের সকল ফিচার বিস্তারিত

Samsung Galaxy A5 Mobile Review
সম্মানিত সুধী,
সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও
অভিনন্দন। আশা করি সবাই অনেক
ভালো আছেন। আপনাদের মঙ্গল কামনা
করি। আমি আপনাদের মাঝে
বর্তমানের সেরা প্রযুক্তি বিষয়ে
আলোচনা করে আসছি। যা আপনাদের
জন্য অনেক উপকারী বলে আমি মনে
করি। মোবাইল ভাল বাসে না এমন
মানুষ খুজে বের করা মনা হয় দুর্লভ।
প্রযুক্তির এই মুর্হুতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের
অত্যাধুনিক সব আকর্ষনীয় মোবাইল বের
করছে বিভিন্ন কোম্পানী। অনেকের
ধারণ থাকে আমি মোবাইল কিনব তো
কোন ব্রান্ডের মোবাইল কিনব ? কোন
মোবাইল টি ভাল ? নানান প্রশ্নের
সম্মুখিন হতে হয়। এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক
উত্তর দেওয়ার জন্যই আমার টিউন।
আপনাকে কোন মোবাইল কেনার জন্য
পরামর্শের জন্য কারো কাছে যেতে
হবে না। আপনি শুধু আমি যে সাইট টি
শেয়ার করতেছি সেই সাইটে গিয়ে
যে কোন সেটের বিস্তারিত জানতে
পারবেন। সাইট টি শুধু আজকের জন্য নয়
ভবিষ্যতের জন্য অবশ্যই মনে রাখবেন। এই
সাইট এ যে কোন ব্র্যান্ডের যে কোন
সময় সকল প্রকার তথ্য পাবেন। আপনাদের
সুবিধার জন্য আরও একটি বিষয় জানাতে
চাই। এই সাইট টি আরও একটি বিষয়
ভিজিটরদের কথা চিন্তা করে একটি
এন্ড্রয়েড সেট ব্যবহারকীদের জন্য একটি
অ্যাপস তৈরী করেছে। যা দিয়ে
আপনি মোবাইলে ইন্সটল করে রাখলে
পরবর্তীতে যে কোন সময় যে কোন
সেটের বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আমি নিচে অ্যাপসের ডাউনলোড
লিংক দিয়ে দিব। শুধু তাই নয় প্রতিদিন
সকল মোবাইল ফোন থেকে নতুন নতুন
মোবাইলের উপর টিউন নিয়ে হাজির
হবো আপনাদের সামনে। স্যামসাং
গেলাক্সি এ-৫ Samsung Galaxy A5
সমন্ধে আমার আজকের এই টিউন। আশা
করি টিউন সকলের ভালো লাগবে।
যদি আমার আজকের টিউনে কোন ভূল
থাকে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
সবার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ
অনুগ্রহ পূর্বক বাজে কোন টিউমেন্ট
করবেন না। যারা অভিঞ্জ তাদের জন্য
এই টিউন নয়। শুধু মাত্র অনঅভিঞ্জদের
জন্য।
আজকের মোবাইলের বিস্তারিত
জানতে এখানে ক্লিক করুন
: Samsung Galaxy A5
সকল মোবাইল সম্পর্কে বিস্তারিত
জানতে এখানে ক্লিক করুন : Android
Review
মোবাইল এর সকল তথ্য পেতে এই
অ্যাপসটি ডাউনলোড করে আপনার
সেটে এখনি ইন্সটল করে নিন : ২.৫
মেগাবাইট।

Thursday, December 3, 2015

এন্ড্রয়েড এর জন্য নিয়ে এসেছি 1500 টাকা মূল্যের নরটন সিকিউরিটির ফুল এ্যক্টিভেটেড ভারসান একদম বিনা মূল্যে

এন্ড্রয়েড এর জন্য নিয়ে এসেছি নরটন সিকিউরিটির ফুল এ্যক্টিভেটেড ভারসান একদম বিনা মূল্যে
অ্যান্ড্রয়োডে সিকিউরিটির জন্য আছে হাজারো এন্টিভাইরাস। কিন্তু তার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হবে সেরাটি।
শুধু আমার মতে নয়,ওধিকাংশ ইউজার ও সিকিউরিটি এক্সপারটদের মতে নরটন সিকিউরিটি সেরাদের
মধ্যে একটি,কিন্তু মুশকিল হল এটি একটি পেড অ্যাপ!!!
তবে চিন্তা নেই। আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি নরটন সিকিউরিটির ফুল এ্যক্টিভেটেড ভারসান একদম বিনা মূল্যে।কাজ করবেই ১০০০% গারান্টি।
NANO_antivirus_logo1 ডাউনলোড করার জন্য নিচে ক্লিক করুন
DOWNLOAD LINK
: : সফটওয়্যার পরিচিতি : :
◉ প্রোডাক্ট নেমঃ- Norton
Security and Antivirus ◉ নির্মাতাঃ- Symantec
Corporation
◉ প্রোডাক্ট পেজঃ- norton
মোবাইল সিকিউরিটি
◉ প্রোডাক্ট ভারসানঃ-
২.৫.০.৪০৪
◉ প্লাটফরমঃ- Android
◉ সাপোরটেড প্লাটফরমঃ-
Android 2.2 and up
◉ সাইজঃ- 6.54 MB মূল্যঃ 19$

Friday, November 27, 2015

স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার সহজ উপায় সমূহ।

শুধু কথা বলার মধ্যে
সীমাবদ্ধ নয়
স্মার্টফোন। তাই
স্মার্টফোন দিয়ে
কথা বলা ছাড়াও
সবসময়ই কিছু না-
কিছু করা হয়ে
থাকে। যেমন চ্যাট,
ভিডিও কলিং কিংবা
মেইল চেক প্রভৃতি।
ফলে ফোনের
ব্যাটারিও
তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে
যায়। তবে ফোনের
ব্যাটারি লাইফ
বাড়ানোর জন্য বেশ
কিছু
ব্যবহারসাশ্রয়ী
উপায় গ্রহণ করতে
পারেন।
ফোনের যে সব
ফিচার বন্ধ রাখতে
হবে
ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই :
প্রয়োজন থাকলেই
ওয়াই-ফাই অন
করবেন। রেঞ্জের
বাইরে গিয়েও ওয়াই-
ফাই অন থাকলে,
ফোন ওয়াই-ফাইর
জন্য সিগন্যাল
খুঁজতে থাকে, ফলে
ব্যাটারি খরচ হয়।
অ্যানিমেশন : সব
অ্যাপ্লিকেশনের
অ্যানিমেশন অফ
করে দিন।
মোবাইল ডাটা :
ব্যাটারিতে কম
চার্জ থাকায়
মোবাইল বন্ধ হতে
পারে এমন
পরিস্থিতির
ক্ষেত্রে মোবাইল
ডাটা বন্ধ করে দিন।
এতে সেসময়
ইন্টারনেট কাজ না
করলেও অন্তত ফোন
আরো কিছুক্ষণ চালু
থাকবে।
লোকেশন সার্ভিস :
প্রয়োজনের সময়েই
লোকেশন সার্ভিস
অন করুন, অন্যথায়
অফ রাখুন। কারণ
এটি অন থাকলে,
ব্যাটারি খরচও হবে
বেশি।
ফোনের যা কিছু
কমিয়ে দিতে হবে
স্ক্রিনের
ব্রাইটনেস :
স্ক্রিনের জন্য
মোবাইলের চার্জ
দ্রুত শেষ হয়।
স্ক্রিন যত বেশি
উজ্জ্বল এবং হাই-
রেজ্যুলেশনের হবে,
ব্যাটারি ততই খরচ
হবে। এজন্য স্ক্রিন
ব্রাইটনেস কমিয়ে
ব্যবহার করুন।
ব্রাইটনেসের জন্য
অটো-মোড নির্বাচন
না করলেও পারেন।
কেননা এ মোড
মোবাইলের
সেন্সরগুলো সব সময়
চালু রাখে এবং এতে
ব্যাটারি দ্রুত শেষ
হয়।
স্ক্রিন টাইমআউট :
ফোনের স্ক্রিন
টাইম আউট যত কম
হবে, ব্যাটারি তত
লম্বা সময় ধরে
চলবে। তাই
স্ক্রিনের
টাইমআউট কমিয়ে
দিতে পারেন।
ক্যামেরা এবং
ভিডিওর ব্যবহার :
ফোনের ব্যাটারি কম
থাকলে ভেবেচিন্তে
ক্যামেরা এবং
ভিডিওর ব্যবহার
করুন। ফোন বেশি
গরম হলে বুঝবেন,
ব্যাটারি দ্রুত খরচ
হচ্ছে এবং তার
বিশ্রাম প্রয়োজন।
যেসব ফিচার থেকে
দূরত্বে থাকতে হবে
ভাইব্রেশন :
ভাইব্রেশনে বেশি
ব্যাটারি খরচ হয়।
তাই একে নিস্ক্রিয়
রাখুন।
লাইভ ওয়ালপেপার :
লাইভ ওয়ালপেপারের
পরিবর্তে ডার্ক
কালারের
ওয়ালপেপার ব্যবহার
করা ভালো।
উইজেটস : সামান্যর
তুলনায় বড়
আইকনগুলোই
উইজেটস। এটি
স্ক্রিনে অনেক
জায়গা নেয়। যেমন-
আবহাওয়ার বা
ফেসবুক বা টুইটারের
উইজেটস। এগুলো
নিজে থেকেই
আপডেট হয়, তাই
বেশি ব্যাটারি খরচ
হয়। ফোনের হোম
স্ক্রিনে বেশি অ্যাপ
রাখার পরিবর্তে,
কম ব্যবহার করেন
এমন অ্যাপ মেন্যুর
ভেতরে রাখুন।
একাধিক
অ্যান্টিভাইরাস :
ফোনে একাধিক
অ্যান্টিভাইরাস
ব্যবহার করবেন না।
অনেকে মনে করেন,
একাধিক
অ্যান্টিভাইরাস
ফোনকে বেশি সুস্থ
রাখবে। কিন্তু এর
ফলে ব্যাটারিও
বেশি খরচ হবে।
নজর রাখতে হবে
অ্যাপসে
অব্যবহৃত অ্যাপস
আনইনস্টল : যেসব
অ্যাপ বেশি ব্যাটারি
খরচ করে বা
ব্যবহার করছেন না
এমন অ্যাপগুলো
আনইনস্টল করে
দিন।
ঠিক করে অ্যাপ
বন্ধ করুন : হোম
বোতাম টিপলেই
অ্যাপ বন্ধ হয় না।
তা শুধুই
ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে
যায় এবং ব্যাটারি
খরচ করে। তাই
এক্সিট-এর মাধ্যমে
অ্যাপ বন্ধ করা
অত্যাবশ্যকীয়।
অটো আপডেট :
অ্যান্ড্রয়েডের
অনেক অ্যাপ প্রায়ই
আপডেট নিতে থাকে।
এর ফলে ডাটা খরচ
তো হয়ই পাশাপাশি
ব্যাটারিও খরচ হয়।
অটো আপডেট বন্ধ
রাখাটাও সাশ্রয়ী।
বুকমার্কের ব্যবহার
: বেশ কিছু সাইট
সর্বদা অ্যাপ
ব্যবহার করে খোলার
পরিবর্তে বা অ্যাপ
ডাউনলোড না করে
ব্রাউজারে বুকমার্ক
করে করুন। এতে
মোবাইলের ব্যাটারি
সাশ্রয় হবে।

Tuesday, November 24, 2015

জেনে নিন এনড্রয়েড ডিভাইস রুট করার ৭টি সুবিধা

সবচেয়ে কাস্টমাইজেবল ওএসগুলোর
মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অন্যতম। আপনি হয়ত
ভাবতে পারেন আপনার ডিভাইস রুট
করার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি
রুট করার সুবিধাগুলো জেনে অবাক হয়ে
যাবেন। চলুন জেনে নিই, রুট করার
কয়েকটি সুবিধা।
১. হিডেন ফিচার আনলক করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যান্ড্রয়েডের
কিছু হিডেন ফিচার আনলক করতে
পারেন। মাঝে মাঝে আপনার পছন্দের
ফিচারগুলো আপনার ডিভাইসে থাকে
না। রুট করার পর বিভিন্ন অ্যাপের
মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে পছন্দের
ফিচার যোগ করতে পারেন। যেমন -
এক্সপোসড্ ইন্সটলার।
২. ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার
ডিভাইসের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন।
বিভিন্ন অ্যাপ যেমন - সেটসিপিইউ
(setcpu)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি
আপনার ডিভাইসের cpu ওভারক্লক করে
আপনার ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করতে
পারেন।
৩. ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করুন
রুট করার আরেকটি সুবিধা হলো আপনি
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করতে
পারবেন। সেটসিপিইউ (setcpu) অ্যাপটি
দিয়ে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu
ডাউনক্লকও করতে পারেন। এতে আপনার
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট হবে।
৪. অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক
করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যাপের মধ্যে
অ্যাড ব্লক করতে পারেন। বিভিন্ন
অ্যাপ যেমন - AdFree, Adblock Plus, Ad Away -
এসব অ্যাপ আপনার ডিভাইসের
অ্যাপগুলির অ্যাড ব্লক করে দিবে।
৫. ব্যাকআপ করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার
পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে
পারেন। রুট ছাড়াও আপনি কিছু
অ্যাপের ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
তবে রুট থাকলে আপনি পুরো
সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যাপের
সাহায্য নিতে হবে। যেমন - Titanium
Backup
৬. প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলুন
রুট করলে আপনি প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলতে পারেন। Titanium Backup
অ্যাপটি দিয়ে ব্যাকআপ করানো
ছাড়াও অ্যাপটি দিয়ে আপনার
ডিভাইসের প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপগুলি
মুছে ফেলতে পারেন।
৭. কাস্টম রম ইন্সটল করুন
রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে
অন্য কোনো রম(যেমন - CyanogenMod,
Replicant ইত্যাদি) ইন্সটল করতে পারেন।
এতে আপনার ডিভাইসে নতুন ফিচার
যুক্ত হবে।

জেনে নিন এনড্রয়েড ডিভাইস রুট করার ৭টি সুবিধা

সবচেয়ে কাস্টমাইজেবল ওএসগুলোর
মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অন্যতম। আপনি হয়ত
ভাবতে পারেন আপনার ডিভাইস রুট
করার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি
রুট করার সুবিধাগুলো জেনে অবাক হয়ে
যাবেন। চলুন জেনে নিই, রুট করার
কয়েকটি সুবিধা।
১. হিডেন ফিচার আনলক করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যান্ড্রয়েডের
কিছু হিডেন ফিচার আনলক করতে
পারেন। মাঝে মাঝে আপনার পছন্দের
ফিচারগুলো আপনার ডিভাইসে থাকে
না। রুট করার পর বিভিন্ন অ্যাপের
মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে পছন্দের
ফিচার যোগ করতে পারেন। যেমন -
এক্সপোসড্ ইন্সটলার।
২. ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার
ডিভাইসের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন।
বিভিন্ন অ্যাপ যেমন - সেটসিপিইউ
(setcpu)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি
আপনার ডিভাইসের cpu ওভারক্লক করে
আপনার ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করতে
পারেন।
৩. ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করুন
রুট করার আরেকটি সুবিধা হলো আপনি
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করতে
পারবেন। সেটসিপিইউ (setcpu) অ্যাপটি
দিয়ে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu
ডাউনক্লকও করতে পারেন। এতে আপনার
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট হবে।
৪. অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক
করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যাপের মধ্যে
অ্যাড ব্লক করতে পারেন। বিভিন্ন
অ্যাপ যেমন - AdFree, Adblock Plus, Ad Away -
এসব অ্যাপ আপনার ডিভাইসের
অ্যাপগুলির অ্যাড ব্লক করে দিবে।
৫. ব্যাকআপ করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার
পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে
পারেন। রুট ছাড়াও আপনি কিছু
অ্যাপের ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
তবে রুট থাকলে আপনি পুরো
সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যাপের
সাহায্য নিতে হবে। যেমন - Titanium
Backup
৬. প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলুন
রুট করলে আপনি প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলতে পারেন। Titanium Backup
অ্যাপটি দিয়ে ব্যাকআপ করানো
ছাড়াও অ্যাপটি দিয়ে আপনার
ডিভাইসের প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপগুলি
মুছে ফেলতে পারেন।
৭. কাস্টম রম ইন্সটল করুন
রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে
অন্য কোনো রম(যেমন - CyanogenMod,
Replicant ইত্যাদি) ইন্সটল করতে পারেন।
এতে আপনার ডিভাইসে নতুন ফিচার
যুক্ত হবে।

জেনে নিন এনড্রয়েড ডিভাইস রুট করার ৭টি সুবিধা

সবচেয়ে কাস্টমাইজেবল ওএসগুলোর
মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অন্যতম। আপনি হয়ত
ভাবতে পারেন আপনার ডিভাইস রুট
করার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি
রুট করার সুবিধাগুলো জেনে অবাক হয়ে
যাবেন। চলুন জেনে নিই, রুট করার
কয়েকটি সুবিধা।
১. হিডেন ফিচার আনলক করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যান্ড্রয়েডের
কিছু হিডেন ফিচার আনলক করতে
পারেন। মাঝে মাঝে আপনার পছন্দের
ফিচারগুলো আপনার ডিভাইসে থাকে
না। রুট করার পর বিভিন্ন অ্যাপের
মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে পছন্দের
ফিচার যোগ করতে পারেন। যেমন -
এক্সপোসড্ ইন্সটলার।
২. ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার
ডিভাইসের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন।
বিভিন্ন অ্যাপ যেমন - সেটসিপিইউ
(setcpu)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি
আপনার ডিভাইসের cpu ওভারক্লক করে
আপনার ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করতে
পারেন।
৩. ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করুন
রুট করার আরেকটি সুবিধা হলো আপনি
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করতে
পারবেন। সেটসিপিইউ (setcpu) অ্যাপটি
দিয়ে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu
ডাউনক্লকও করতে পারেন। এতে আপনার
ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট হবে।
৪. অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক
করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যাপের মধ্যে
অ্যাড ব্লক করতে পারেন। বিভিন্ন
অ্যাপ যেমন - AdFree, Adblock Plus, Ad Away -
এসব অ্যাপ আপনার ডিভাইসের
অ্যাপগুলির অ্যাড ব্লক করে দিবে।
৫. ব্যাকআপ করুন
রুট করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার
পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে
পারেন। রুট ছাড়াও আপনি কিছু
অ্যাপের ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
তবে রুট থাকলে আপনি পুরো
সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যাপের
সাহায্য নিতে হবে। যেমন - Titanium
Backup
৬. প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলুন
রুট করলে আপনি প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে
ফেলতে পারেন। Titanium Backup
অ্যাপটি দিয়ে ব্যাকআপ করানো
ছাড়াও অ্যাপটি দিয়ে আপনার
ডিভাইসের প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপগুলি
মুছে ফেলতে পারেন।
৭. কাস্টম রম ইন্সটল করুন
রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে
অন্য কোনো রম(যেমন - CyanogenMod,
Replicant ইত্যাদি) ইন্সটল করতে পারেন।
এতে আপনার ডিভাইসে নতুন ফিচার
যুক্ত হবে।

Tuesday, November 3, 2015

সহজ কিছু কাজের মাধ্যমে আপনার এন্ড্রোয়েড মোবাইলের স্পিড বাড়িয়ে ফেলুন।

আপনার শখের, প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য বন্ধু
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি কি ধীর গতির। স্বভাবতই
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ধীর গতিতে চালানোর মতো
বিরক্তির কিছু নেই। তবে আপনার কি জানা আছে
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল স্লো হওয়ার কারণ এবং স্পিড
বাড়ানোর উপায়সমূহ? জি, আজ আপনাদের সাথে শেয়ার
করব পছন্দের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি বৃদ্ধির
কিছু কাজের টিপস। আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি
যদি স্লো হয়ে থাকে তবে প্রথমে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন
করে স্লো হওয়ার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন। এবং
আপনি যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে
যাওয়ার নির্দিষ্ট কোন কারণ খুঁজে বের করতে পারেন
তবে সর্বপ্রথম সেটির প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন।
তারপর মেনে চলুন অন্যান্য টিপস। নানা কারণেই
অ্যান্ড্রয়েডের স্পিড কমে যেতে পারে। তবে প্রধান
প্রধান যেসব কারণে মোবাইল কচ্ছপ গতির হয়ে থাকে
সেসব থেকে পরিত্রান এবং সেগুলোর সমাধান নিয়েই
আজকের পোস্ট।
লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার না করলে ভালোই হয়!
চেষ্টা করুন যতসম্ভব লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ না
করতে! আপনি জানেন লাইভ ওয়ালপেপার মোবাইল
ফোনের সৌন্দর্য বাড়ায়। কিন্তু সম্ভবত এটা জানেন
না যে, লাইভ ওয়ালপেপার মোবাইলের পারফর্মম্যান্স
কমিয়ে দেয়! কারণ লাইভ ওয়ালপেপার অ্যানিমেশন
হওয়ার কারণে ফোনের পাওয়ারের প্রয়োজন হয়। তাই
যদি লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ করে থাকেন তবে একটু মন
কে বুঝিয়ে লাইভ ওয়ালপেপারটি বন্ধ করুন। এর চেয়ে
ভালো রকমের সাধারন কোন ওয়ালপেপার ব্যবহার করে
সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন। এতে আপনার
অ্যান্ড্রয়েডের গতি এবং ব্যাটারি উভয়ই সাশ্রয় হবে।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস এবং উইডগেটকে বিদায় বলার
সময় এখনই!
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস এবং উইডগেটের নিশ্চয়ই কোন
কার্যকারিতা নেই? যদি নাই বা থেকে থাকে তবে সেই
অ্যাপস বা উইডগেট কেন জায়গা পাবে আপনার ফোনে?
কাজে আসে না এমন অ্যাপস এবং গেজেটকে বিদায়
বলার উপযুক্ত সময় ঠিক এখনই। কারণ অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনের স্পিড বাড়ানোর অন্যতম কার্যকারী
টিপস এটিই! এসব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আপনার
কাজে না আসলেও আপনার ফোনের গতিতে
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে কিন্তু সে বেশ পটু! তাই এখনই
খুঁজে খুঁজে অকাজের সব অ্যাপস বিদায় করুন।
অ্যাপস ব্যবহার শেষে সচেতনতার সাথেই সেটি বন্ধ
করুন
সম্ভবত এই টিপসের শিরোনাম কিছুই বুঝেননি! ধৈর্য
ধরুন, বুঝিয়ে বলছি! আমরা বেশিরভাগ সময়ই কোন
অ্যাপস ব্যবহার শেষে Quit অপশন ব্যবহার করে সেই
অ্যাপস বন্ধ করিনা। আমরা কোন অ্যাপস ব্যবহার শেষে
হোম স্ক্রিন বাটন ইউজ করে সরাসরি বেড়িয়ে আসি।
এতে করে ঐ অ্যাপসটি কিন্ত আসলে বন্ধ হয়না। সেটি
চালু অবস্থায় থেকে যায় রিসেন্ট অ্যাপসে। ফলে আপনি
যতক্ষন না ঐ অ্যাপস Quit করছেন ততক্ষণ কিন্তু
সেটি ঠিকই চালু থাকে এবং ব্যাটারির চার্জও হজম করে।
এছাড়া এভাবে অনেক অ্যাপস চালানোর পর সবগুলোই
ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু অবস্থায় থাকার ফলে স্বভাবতই
মোবাইল স্লো করে দেয়। তাই অ্যাপস ব্যবহারের
সবশেষে যথা নিয়মে বন্ধ করে বেরিয়ে পড়ুন।
ফোন মেমরী ফাঁকা রাখুন
কম্পিউটারের মতো অ্যান্ড্রয়েড ফোনও ইন্টারনাল
অর্থাৎ ফোন মেমরী ফাঁকা থাকলে কাজ করতে সাচ্ছন্দ
বোধ করে। তাই যতসম্ভব চেষ্টা করুন আপনার
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ফোন মেমরীটি ফাঁকা
রাখতে। আর যা রাখার প্রয়োজন সেগুলো রাখুন
এক্সটারনাল মেমরী কার্ডে। তাই খুব জরুরী
অ্যাপসগুলো বাদে বাকি অ্যাপসগুলোও ফোন মেমরী
থেকে পাঠিয়ে দিন এক্সটারনাল মেমরি কার্ডে। ফলে
ফাঁকা স্পেস পেলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড সেট কাজ
করতে পারবে সাচ্ছন্দে, গতিও বাড়বে সেই হারে।
সাহায্য নিতে পারেন কিছু অ্যাপসেরও!
অ্যান্ড্রয়েড মানেই অ্যাপসের মজা। প্রতিটি প্রয়োজন
মেটাতেই রয়েছে অ্যাপসের চাহিদা। তেমনি
অ্যান্ড্রয়েডে ফোন ক্লিন রাখতে ব্যবহার করতে
পারেন কিছু অ্যাপসও। যেগুলো আপনার স্মার্টফোনটি
রাখবে ফ্রেশ। আর ফ্রেশ মানেই গতিময় পথ চলা?
আপনার হাতের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটির স্পিড ধরে
রাখতে ব্যবহার করতে পারেন 1Tap Cleaner, Android
Assistance, App 2 SD, 360 Mobile Security ইত্যাদি
অ্যাপস।

আমার ফেইসবুক প্রফাইলঃ এখানে

সহজ কিছু কাজের মাধ্যমে আপনার এন্ড্রোয়েড মোবাইলের স্পিড বাড়িয়ে ফেলুন।

আপনার শখের, প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য বন্ধু
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি কি ধীর গতির। স্বভাবতই
অ্যান্ড্রয়েড ফোন ধীর গতিতে চালানোর মতো
বিরক্তির কিছু নেই। তবে আপনার কি জানা আছে
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল স্লো হওয়ার কারণ এবং স্পিড
বাড়ানোর উপায়সমূহ? জি, আজ আপনাদের সাথে শেয়ার
করব পছন্দের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি বৃদ্ধির
কিছু কাজের টিপস। আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি
যদি স্লো হয়ে থাকে তবে প্রথমে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন
করে স্লো হওয়ার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন। এবং
আপনি যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে
যাওয়ার নির্দিষ্ট কোন কারণ খুঁজে বের করতে পারেন
তবে সর্বপ্রথম সেটির প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন।
তারপর মেনে চলুন অন্যান্য টিপস। নানা কারণেই
অ্যান্ড্রয়েডের স্পিড কমে যেতে পারে। তবে প্রধান
প্রধান যেসব কারণে মোবাইল কচ্ছপ গতির হয়ে থাকে
সেসব থেকে পরিত্রান এবং সেগুলোর সমাধান নিয়েই
আজকের পোস্ট।
লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার না করলে ভালোই হয়!
চেষ্টা করুন যতসম্ভব লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ না
করতে! আপনি জানেন লাইভ ওয়ালপেপার মোবাইল
ফোনের সৌন্দর্য বাড়ায়। কিন্তু সম্ভবত এটা জানেন
না যে, লাইভ ওয়ালপেপার মোবাইলের পারফর্মম্যান্স
কমিয়ে দেয়! কারণ লাইভ ওয়ালপেপার অ্যানিমেশন
হওয়ার কারণে ফোনের পাওয়ারের প্রয়োজন হয়। তাই
যদি লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ করে থাকেন তবে একটু মন
কে বুঝিয়ে লাইভ ওয়ালপেপারটি বন্ধ করুন। এর চেয়ে
ভালো রকমের সাধারন কোন ওয়ালপেপার ব্যবহার করে
সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন। এতে আপনার
অ্যান্ড্রয়েডের গতি এবং ব্যাটারি উভয়ই সাশ্রয় হবে।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস এবং উইডগেটকে বিদায় বলার
সময় এখনই!
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস এবং উইডগেটের নিশ্চয়ই কোন
কার্যকারিতা নেই? যদি নাই বা থেকে থাকে তবে সেই
অ্যাপস বা উইডগেট কেন জায়গা পাবে আপনার ফোনে?
কাজে আসে না এমন অ্যাপস এবং গেজেটকে বিদায়
বলার উপযুক্ত সময় ঠিক এখনই। কারণ অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনের স্পিড বাড়ানোর অন্যতম কার্যকারী
টিপস এটিই! এসব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আপনার
কাজে না আসলেও আপনার ফোনের গতিতে
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে কিন্তু সে বেশ পটু! তাই এখনই
খুঁজে খুঁজে অকাজের সব অ্যাপস বিদায় করুন।
অ্যাপস ব্যবহার শেষে সচেতনতার সাথেই সেটি বন্ধ
করুন
সম্ভবত এই টিপসের শিরোনাম কিছুই বুঝেননি! ধৈর্য
ধরুন, বুঝিয়ে বলছি! আমরা বেশিরভাগ সময়ই কোন
অ্যাপস ব্যবহার শেষে Quit অপশন ব্যবহার করে সেই
অ্যাপস বন্ধ করিনা। আমরা কোন অ্যাপস ব্যবহার শেষে
হোম স্ক্রিন বাটন ইউজ করে সরাসরি বেড়িয়ে আসি।
এতে করে ঐ অ্যাপসটি কিন্ত আসলে বন্ধ হয়না। সেটি
চালু অবস্থায় থেকে যায় রিসেন্ট অ্যাপসে। ফলে আপনি
যতক্ষন না ঐ অ্যাপস Quit করছেন ততক্ষণ কিন্তু
সেটি ঠিকই চালু থাকে এবং ব্যাটারির চার্জও হজম করে।
এছাড়া এভাবে অনেক অ্যাপস চালানোর পর সবগুলোই
ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু অবস্থায় থাকার ফলে স্বভাবতই
মোবাইল স্লো করে দেয়। তাই অ্যাপস ব্যবহারের
সবশেষে যথা নিয়মে বন্ধ করে বেরিয়ে পড়ুন।
ফোন মেমরী ফাঁকা রাখুন
কম্পিউটারের মতো অ্যান্ড্রয়েড ফোনও ইন্টারনাল
অর্থাৎ ফোন মেমরী ফাঁকা থাকলে কাজ করতে সাচ্ছন্দ
বোধ করে। তাই যতসম্ভব চেষ্টা করুন আপনার
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ফোন মেমরীটি ফাঁকা
রাখতে। আর যা রাখার প্রয়োজন সেগুলো রাখুন
এক্সটারনাল মেমরী কার্ডে। তাই খুব জরুরী
অ্যাপসগুলো বাদে বাকি অ্যাপসগুলোও ফোন মেমরী
থেকে পাঠিয়ে দিন এক্সটারনাল মেমরি কার্ডে। ফলে
ফাঁকা স্পেস পেলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড সেট কাজ
করতে পারবে সাচ্ছন্দে, গতিও বাড়বে সেই হারে।
সাহায্য নিতে পারেন কিছু অ্যাপসেরও!
অ্যান্ড্রয়েড মানেই অ্যাপসের মজা। প্রতিটি প্রয়োজন
মেটাতেই রয়েছে অ্যাপসের চাহিদা। তেমনি
অ্যান্ড্রয়েডে ফোন ক্লিন রাখতে ব্যবহার করতে
পারেন কিছু অ্যাপসও। যেগুলো আপনার স্মার্টফোনটি
রাখবে ফ্রেশ। আর ফ্রেশ মানেই গতিময় পথ চলা?
আপনার হাতের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটির স্পিড ধরে
রাখতে ব্যবহার করতে পারেন 1Tap Cleaner, Android
Assistance, App 2 SD, 360 Mobile Security ইত্যাদি
অ্যাপস।

আমার ফেইসবুক প্রফাইলঃ এখানে