Showing posts with label সকল জেলা. Show all posts
Showing posts with label সকল জেলা. Show all posts

Friday, November 27, 2015

সিলেট জেলার পরিচিতি

সিলেট উত্তর পূর্ব বাংলাদেশের
একটি প্রধান শহর, একই সাথে এই শহরটি
সিলেট বিভাগের বিভাগীয় শহর।
এটি সিলেট জেলার অন্তর্গত।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের
আওতাধীন এলাকাই মূলত সিলেট শহর
হিসেবে পরিচিত। সিলেট ২০০৯
সালের মার্চ মাসে একটি
মেট্রোপলিটন শহরের মর্যাদা লাভ
করে।[১] সুরমা নদীর তীরবর্তী এই
শহরটি বাংলাদেশের অন্যতম
বৃহৎ[ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ] ও গুরুত্বপুর্ণ শহর।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত এ শহরটি
দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী
হিসেবে খ্যাত। সিলেট
বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনি
জেলা হিসেবে পরিচিত। শিল্প,
প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক ভাবে
সিলেট দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ধনি
জেলা। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ
দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য,
ভোলাগঞ্জের সারি সারি
পাথরের স্তূপ পর্যটকদের টেনে আনে
বার বার। এ শহরের বিশাল সংখ্যক
লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস
করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ
করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ
ভূমিকা পালন করে আসছে [৩] ।
সিলেটের পাথর , বালুর গুণগতমান
দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। এখানকার
প্রাকৃতিক গ্যাস সারা দেশের
সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে
[৩] । স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার
ভূমিকা অপরিসীম। জেনারেল
এম,এ,জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী
সন্তান। হযরত শাহজালাল (রাঃ) ও
হযরত শাহ পরান (রাঃ) এর পবিত্র
মাজার শরীফ এ জেলায় অবস্থিত।
প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ লোক
মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আগমন
করে। আসে বিপুল সংখ্যক পর্যটক।
সিলেট এর স্থানীয় ভাষা ‘‘ সিলটি
ভাষা ’’র একটি বিশেষত্ব রয়েছে যা
অন্য অঞ্চল থেকে পৃথক।এছাড়া
নাগরী বর্ণমালা নামে সিলেটের
নিজস্ব বর্ণমালা ও রয়েছে। শীত
মৌসুমে সিলেটের হাওর- বাওর গুলো
ভরে উঠে অতিথি পাখির কলরবে।
ইতিহাস
ইতিহাসবিদেরা বলেন বহুযুগ ধরে
সিলেট একটি বাণিজ্যিক শহর
হিসেবে প্রচলিত আছে। ধারণা করা
হয়ে থাকে যে "হরিকেলা
রাজত্তের" মুল ভুখন্ড ছিলো এই
সিলেট।১৪'শ শতকের দিকে এই
অঞ্চলে ইসলামী প্রভাব দেখা যায়
সূফী দার্শনিকদের আগমনের মাধ্যমে।
১৩০৩ সালে কালৈতিহাসিক মুসলিম
সাধু হযরত শাহজালাল (রাঃ) এর
আবির্ভাব ঘটে এই সময়ে। তিনি
মক্কা থেকে দিল্লি ও ঢাকা হয়ে
এই এলাকায় আসেন। তার আধ্যাতিক
ক্ষমতার প্রভাবে ও তার অনুসারী ৩৬০
জনের মাধ্যমে আরো অনেকেই
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তা
দেশের অন্যত্র ও ছড়িয়ে পড়ে। তার
দরগাহ সিলেটের একটি অন্যতম
দর্শনীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত
হয়। এছাড়া হযরত শাহ পরান ও শাহ
কামাল কাহাফানের সান্নিধ্যে
এসেও অনেকে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্ম
থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত
হয়েছিল। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া
কোম্পানি এর শাসনামলে ইন্ডিয়ান
লস্করেরা এই এলাকায় তাবেদারী
শাসন চালাতো। ১৭৭৮ সালে রবার্ট
লিন্ডসে কে সিলেটের দায়ভার
দেয়া হয়। তবে তখনকার স্থানীয়
সিলেটিরা তাকে ভালোভাবে
নেয় নি।১৭৮১ সালে এই এলাকায়
একটি বড় ধরনের বন্যা হয়েছিলো।
এতে অসংখ্য ফসল ও পাখি মারা
যায়। স্থানীয়রা এজন্য ব্রিটিশ দের
দায়ী করে। এই আন্দোলনে মুখ্য
ভূমিকা পালন করেন সৈয়দ হাদী ও
সৈয়দ মাহাদী(পীরজাদা নামে
পরিচিত)। লিন্ডসের সাথে তখন
তাদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় যাতে প্রচুর
ভারতীয় তস্কর অংশ নেয়। ফলস্রুতিতে
অনেকেই সিলেট ছেড়ে লন্ডনে
চলে যায় ও বসতি গড়ে তোলে।
ব্রিটিশ শাসনের সময় আসাম ও
সিলেট একত্রিত হয়ে আসামের অংশ
ছিল। পরবর্তীতে ভারত ও
পাকিস্তান আলাদা দেশ গঠনের সময়
আসাম ও সিলেট আলাদা হয়ে যায়।
১৯৭১-এর যুদ্ধে জয়লাভের পর এটি পূর্ব
পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ -এর
ভূখন্ডে পড়ে।
জনপ্রশাসন
সিলেট শহরে ২৭টি ওয়ার্ড ও ২১০টি
মহল্লা রয়েছে। এর আয়তন ২৬·৫ বর্গ
কিলোমিটার। ২০০১ সালের ৯
এপ্রিল সিলেট শহরকে সিলেট সিটি
কর্পোরেশনের অধীন করা হয়। সিলেট
শহর হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ,
মৌলভীবাজার ও সিলেটের
বিভাগীয় শহর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন মূলত
সিলেট শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা,
রাস্তা নির্মাণ,ট্রাফিক
পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ, নিবন্ধনসহ
আরো অনেক কাজে সংশ্লিষ্ট কাজ
সম্পাদন করে। কর্পোরেশনের মেয়র ও
২২জন কমিশনার পুরো শহরের সব ধরণের
উন্নয়নের কাজ করে থাকেন।
শিক্ষা ও শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
শিক্ষা ক্ষেত্রে সিলেটের রয়েছে
এক সমৃদ্ধ ইতিহাস। এ শহরে স্বাক্ষরতার
হার প্রায় ৭০%। এখানে রয়েছে শত
বছরের ঐতিহ্যমন্ডিত মুরারিচাঁদ
কলেজ, যা এই শহরের এমনকি সিলেট
অঞ্চলেরই সবচাইতে পুরনো কলেজ।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই কলেজটি
এতদঞ্চলের শিক্ষা, সাহিত্য ও
সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন
করে আসছে।
সিলেটে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক
স্তরের শিক্ষা প্রদানের জন্য
সরকারী বেসরকারী অনেকগুলো
প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে
হজরত শাহ পরান (র:) উচ্চ বিদ্যালয়,
সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ
বিদ্যালয় , সরকারী অগ্রগামী
বালিকা বিদ্যালয় , ও ব্লু বার্ড স্কুল
অন্যতম। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের জন্য
এখানে রয়েছে জালালাবাদ
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড
কলেজ, মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট
সরকারী মহিলা কলেজ, সিলেট
ক্যাডেট কলেজ, মদনমোহন কলেজসহ
আরও অনেক কলেজ।
উচ্চতর শিক্ষার জন্য রয়েছে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় , সিলেট কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (প্রস্তাবিত
সিলেট প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়) ।
দর্শনীয় স্থানসমূহ
সিলেট শহরে হযরত
শাহজালালের [রহ.] মাজার
সিলেট শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থানসমূহ
হলো:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়
এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল
কলেজ
শাহী ঈদগাহ
হযরত শাহজালালের দরগাহ
শাহ পরাণের মাজার
গাজী বুরহান উদ্দীনের মাজার
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
কীন ব্রিজ
আলী আমজদের ঘড়িঘর
লাক্কাতুরা চা বাগান
এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড
জাফলং
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
ভোলাগঞ্জ
সৈয়দবাড়ী টুলটিকর
বিছনা কান্দি গুয়াইনঘাট
শ্রী চৈতন্য মন্দির, ঢাকা দক্ষিণ
এম সি কলেজ

রংপুর জেলার পরিচিতি

রংপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-
পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের
একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ও বিভাগীয়
শহর।
ভৌগোলিক সীমানা
রংপৃর জেলা ২৫৹০৩˝থেকে ২৯৹৩২˝ পূর্ব
দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত । মোট
আয়তন ২৩০৮ বর্গ কিমি । আটটি
উপজেলা, ইউনিয়ন ৩৮টি, ১৪৫৫টি
মৌজা এবং ১ টি সিটি
কর্পোরেশন ৩টি পৌরসভা নিয়ে
রংপুর জেলা গঠিত।রংপুর জেলার
উত্তরে লালমনিরহাট ও তিস্তা নদী,
দক্ষিণে গাইবান্ধা ও দিনাজপুর
জেলা , পূর্বে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
ও লালমনিরহাট এবং পশ্চিমে
দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলা
অবস্থিত।তিস্তা নদী উত্তর ও উত্তর
পূর্ব সীমান্তকে লালমনির হাট এবং
কুড়িগ্রাম জেলা থেকে আলাদা
করেছে।
রংপুর জেলাকে বৃহত্তর বঙ্গপ্লাবন
ভূমির অংশ মনে করা হয়। কিন্তু
ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গঠন
দেশের অন্যান্য জেলা থেকে
আলাদা। এ জেলার ভূগঠন অতীতে
উত্তরাঞ্চল প্রবাহমান কযয়েকটি
নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং
ভূকম্পনজনিত ভুমি উত্তোলনের সাথে
জড়িত। তিস্তা নদীর আদি গতিপথ
পরিবর্তন ছিল রংপুর জেলার ভূমি
গঠনের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ।
তিস্তা নদী ১৭৮৭ সালের পূর্বে
গঙ্গানদীর একটি উপনদী ছিল।
তিস্তা সিকিম বা হিমালয়ে
পরিচিত রাংগু ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত
দিনাজপুর জেলার নিকট আত্রাই এর
সাথে মিলিত হয়ে নিম্ন গঙ্গা
নদীতে পতিত হতো। ১৮শ শতকে
তিস্তা, আত্রাই নদীর পথ ধরে গঙ্গা ও
বিছিন্ন কিছু খাল বিলের মাধ্যমে
ব্রহ্মপুত্র, উভয় কিছু নদীর সাথে ঋতু
ভিত্তিক সংযোগ করত। অপর নদী
ধরলা তিস্তা থেকে নিম্ন হিমালয়
অঞ্চল বৃহত্তর রংপুর জেলার পূর্ব দিক
দিয়ে (বর্তমান কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র
নদে মিলিত হয়েছে। ঘাঘট এ
জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ নদ । ঘাঘট
তিস্তার গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়ে রংপুর
জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণে
গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে
করতোয়া নদীতে পতিত হয়। আত্রাই
নদী এ সময় করতোয়া ও গঙ্গার মধ্যে
সংযোগ রক্ষা করত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
রংপুর জেলা আটটি উপজেলায়
বিভক্ত। এগুলো হচ্ছেঃ
রংপুর সদর উপজেলা
বদরগঞ্জ উপজেলা
গঙ্গাছড়া উপজেলা
কাউনিয়া উপজেলা
মিঠাপুকুর উপজেলা
পীরগাছা উপজেলা
পীরগঞ্জ উপজেলা এবং
তারাগঞ্জ উপজেলা
নামকরনের ইতিহাস
রঙ্গপুরের সংবাদ পত্র রঙ্গপুর
দর্পন, যার তারিখ ২১ নভেম্বর
১৯২১
নামকরণের ক্ষেত্রে লোকমুখে
প্রচলিত আছে যে পূর্বের ‘রঙ্গপুর’
থেকেই কালক্রমে এই নামটি
এসেছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়
যে উপমহাদেশে ইংরেজরা নীলের
চাষ শুরু করে। এই অঞ্চলে মাটি উর্বর
হবার কারনে এখানে প্রচুর নীলের
চাষ হত। সেই নীলকে স্থানীয়
লোকজন রঙ্গ নামেই জানত। কালের
বিবর্তনে সেই রঙ্গ থেকে রঙ্গপুর এবং
তা থেকেই আজকের রংপুর। অপর একটি
প্রচলিত ধারনা থেকে জানা যায়
যে রংপুর জেলার পূর্বনাম রঙ্গপুর।
প্রাগ জ্যোতিস্বর নরের পুত্র ভগদত্তের
রঙ্গমহল এর নামকরন থেকে এই রঙ্গপুর
নামটি আসে। রংপুর জেলার অপর
নাম জঙ্গপুর । ম্যালেরিয়া রোগের
প্রাদুর্ভাব থাকায় কেউ কেউ এই
জেলাকে যমপুর বলেও ডাকত। তবে
রংপুর জেলা সুদুর অতীত থেকে
আন্দোলন প্রতিরোধের মূল ঘাঁটি
ছিল। তাই জঙ্গপুর নামকেই রংপুরের
আদি নাম হিসেবে ধরা হয়। জঙ্গ অর্থ
যুদ্ধ, পুর অর্থ নগর বা শহর। গ্রাম থেকে
আগত মানুষ প্রায়ই ইংরেজদের
অত্যাচারে নিহত হত বা
ম্যালেরিয়ায় মারা যেত। তাই
সাধারণ মানুষ শহরে আসতে ভয় পেত।
সুদুর অতীতে রংপুর জেলা যে রণভূমি
ছিল তা সন্দেহাতীত ভাবেই বলা
যায়। ত্রিশের দশকের শেষ ভাগে এ
জেলায় কৃষক আন্দোলন যে ভাবে
বিকাশ লাভ করে ছিল তার কারণে
রংপুরকে লাল রংপুর হিসেবে
আখ্যায়িত করা হয়েছিল।
অর্থনীতি
টাউন হল
রংপুর অঞ্চলকে তামাকের জন্য
বিখ্যাত বলা হয়।এখানে উৎপাদিত
তামাক দিয়ে সারা দেশের
চাহিদা মেটানো হয়। রংপুরে প্রচুর
পরিমাণ ধান-পাট-আলু ও আম (হাড়ি
ভাঙ্গা) উৎপাদিত হয়। যা স্থানীয়
বাজার তথা সারাদেশের
বাজারে সমান হারে সমাদৃত।
শিল্পপ্রতিষ্ঠান
রংপুর জেলার কেল্লাবন্দ নামক
স্থানে বিসিক শিলপ নগরী গড়ে
উঠেছে। সেখানে বিভিন্ন ভারী
শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে যেমনঃ
আর,এফ,এল লিঃ,প্রাইম সনিক গ্রুপ,
মিল্ক ভিটা বাংলাদেশ,আরডি
মিল্ক, বিভিন্ন কোল্ড স্টোরেজ।
এছাড়া হারাগাছ নামক স্থানে
বিড়ি(সিগারেট) তৈরির একাধিক
কারখানা। রংপুর শহরের আলম নগর
নামক স্থানে আছে আর, কে ফ্যান
কারখানা। বদরগঞ্জ উপজেলার
শ্যামপুর নামক স্থানে গড়ে
উঠেছেঃ শ্যামপুর চিনিকল
লিমিটেড , রংপুর ডিষ্টিলারিজ
এন্ড কেমিক্যাল কোঃ লিঃ।
পত্র-পত্রিকা
দৈনিক [১] :
দাবানল (১৯৮০)
যুগের আলো (১৯৯২)
পরিবেশ (১৯৯৪)
রংপুর (১৯৯৭)
সাপ্তাহিক [১] :
অটল (১৯৯১)
রংপুর বার্তা (১৯৯৬)
অবলুপ্ত: রঙ্গপুর বার্তাবহ (১৮৪৭)
রঙ্গপুর দর্পণ (১৯০৭)
রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা
(১৯০৫)
রঙ্গপুর দিক প্রকাশ (১৮৬১)
উত্তর বাংলা (১৯৬০)
প্রভাতী (১৯৫৫)
সাপ্তাহিক রংপুর (১৯৯৬)
বজ্রকণ্ঠ (পীরগঞ্জ)
চিত্তাকর্ষক স্থান
'প্রজন্ম', মুক্তিযুদ্ধের স্মারক
ভাস্কর্য, রংপুর কারমাইকেল
কলেজ
তাজহাট রাজবাড়ী
1. কারমাইকেল কলেজ,
2. তাজহাট রাজবাড়ী ,
3. ভিন্নজগত,
4. রংপুর চিড়িয়াখানা ,
5. পায়রাবন্দ
মিঠাপুকুর উপজেলার রানিপুকুর ও
লতিবপুর ইউনিয়নের নিঝাল, ভিকনপুর,
মামুদপুর তিন গ্রামের সীমানায়
অবস্থিত মোঘল আমলের "নির্মিত
তনকা মসজিদ"। একই উপজেলার ময়েনপুর
ইউনিয়নের ফুলচৌকির মোঘল আমলের
নির্মিত মসজিদ, সুড়ুং পথ, শালবনের
ভিতরের মন্দির, সহ অনেক পুরাতন
স্থাপনা আছে এই গ্রামে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
রংপুর জিলা স্কুল
শিক্ষা ব্যবস্থার দিক থেকে রংপুর
জেলা প্রাচীন কাল থেকেই
বাংলাদেশের একটি অন্যতম জেলা।
এখানে গড়ে উঠেছে অনেক প্রসিদ্ধ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই জেলায়
২৮২টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭২২
টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,
৩৮টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়,
১৯৩টি বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক
নিয়ন্ত্রিত বিদ্যালয় এবং ৩২০টি
মাদ্রাসা। তারমধ্যে অনতম্য গুলো
হলঃ
রংপুর জিলা স্কুল
রংপুর সরকারী বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়
রংপুর ক্যাডেট কলেজ
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ,
রংপুর
রংপুর সরকারি কলেজ
বেগম রোকেয়া সরকারী মহিলা
কলেজ
কারমাইকেল কলেজ
পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ, রংপুর
কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, রংপুর
পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট, রংপুর
রংপুর মেডিকেল কলেজ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসা সুবিধা
রংপুর বিভাগ এর মধ্যে রয়েছে রংপুর
মেডিকেল কলেজ।এটি একটি
সরকারী মেডিকেল কলেজ। অন্যান্য
সরকারী প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছে
শিশু হাস্পাতাল,বক্ষ হাসপাতাল ও
কলেরা হাস্পাতাল।বেসরকারি
প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছে
ক্রিস্টিয়ান মিশনারি
হস্পিতাল,রংপুর ডেন্টাল কলেজ এবং
কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
বেগম রোকেয়া , বাংলার মুসলিম
নারী জাগরণের অগ্রদূত
হায়াৎ মামুদ, কবি
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ,
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান
বিচারপতি ও ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ,
বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি
এম এ ওয়াজেদ মিয়া , খ্যাতনামা
পরমাণু বিজ্ঞানী
আনিসুল হক, লেখক, নাট্যকার ও
সাংবাদিক
শাহ আবদুর রউফ, লেখক
মহেশচন্দ্র রায়, গীতিকার ,সুরকার,
সঙ্গীতশিল্পী
মো. নুরুল ইসলাম , ভাষাসৈনিক,
শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, গীতিকার,
সমবায় উদ্যোক্তা
চৌধুরী
খালেকুজ্জামান ,মুক্তিযোদ্ধা,কলাম
িষ্ট,লেখক ও বিশিষ্ঠ
রাজনীতিবিদ [তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]
রাশিদ আসকারী ,বাংলা-
ইংরেজী
লেখক,কলামিসট,অধ্যাপক,ইসলামি
বিশববিদ্যালয়,কুসিটয়া
বেগম রোকেয়া
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আনিসুল হক
রাশিদ আসকারী

Thursday, November 26, 2015

রাজশাহী জেলার পরিচিতি

রাজশাহী বাংলাদেশের
উত্তরাঞ্চলের (উত্তরবঙ্গের) একটি
প্রধান শহর | এটি রাজশাহী বিভাগ
এর রাজশাহী জেলা র অন্তর্গত ।
রাজশাহী শহর বিখ্যাত পদ্মা নদীর
তীরে অবস্থিত। এটি রাজশাহী
বিভাগের বিভাগীয় শহর।
রাজশাহী শহরের নিকটে প্রাচীন
বাংলার বেশ কয়েকটি রাজধানী
শহর অবস্থিত। এদের মাঝে লক্ষণৌতি
বা লক্ষনাবতি, পুন্ড্র ইত্যাদি
উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী তার
আকর্ষণীয় রেশমীবস্ত্র ( Silk), আম, লিচু
এবং মিস্টান্নসামগ্রীর জন্য প্রসিদ্ধ।
রেশমীবস্ত্রের কারণে
রাজশাহীকে রেশমনগরী (Silk City)
নামে ডাকা হয়। রাজশাহী শহরে
উল্লেখযোগ্য সংখ্যক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের
অনেকগুলির খ্যাতি দেশের গণ্ডি
ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে
পড়েছে। নামকরা এসব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য রাজশাহী
শহর শিক্ষানগরী নামেও পরিচিত।
রাজশাহী শহরে এবং এর আশেপাশে
বেশ কিছু বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক
মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয় রয়েছে।
ইতিহাস
রাজশাহী সুপ্রাচীন ঐতিহ্য মণ্ডিত
একটি শহর। অনেক আগে থেকে এই
শহরটি প্রাচীন বাংলায় পরিচিত
ছিল।
প্রাচীন ও মধ্যযুগ
রাজশাহী ছিল প্রাচীন বাংলার
পুন্ড্র সাম্রাজ্যের অংশ। বিখ্যাত
সেন বংশের রাজা বিজয় সেনএর
সময়ের রাজধানী বর্তমান রাজশাহী
শহর থেকে মাত্র ৯ কিমি দূরে
অবস্থিত ছিল। মধ্যযুগে বর্তমান
রাজশাহী পরিচিত ছিল রামপুর
বোয়ালিয়া নামে । এর সূত্র ধরে
এখনও রাজশাহী শহরের একটি থানার
নাম বোয়ালিয়া ।
আধুনিক যুগ
রাজশাহী শহরকে কেন্দ্র করে ১৭৭২
সালে জেলা গঠন করা হয়। ১৮৭৬
সালে গঠিত হয় রাজশাহী পৌরসভা।
পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে রাজশাহী
সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয়।
ব্রিটিশ রাজত্বের সময়েও রাজশাহী
বোয়ালিয়া নামে পরিচিত ছিল।
তখন এটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও
আসাম অঞ্চলের অর্ন্তগত রাজশাহী
জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র।
রাজশাহীকে সে সময়ে রেশম
চাষের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে
নির্বাচন করা হয়েছিল। তখন
রাজশাহীতে একটি সরকারী কলেজ
ও রেশম শিল্পের জন্য একটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়।
সেসময় থেকে দেশবিভাগের পূর্ব
পর্যন্ত পদ্মা নদীর উপর দিয়ে
প্রতিদিন যাত্রীবাহী স্টিমার
চলাচল করত।
১২ জুন ১৮৯৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে
রাজশাহী শহরের বেশীরভাগ ভবন
ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরবর্তীতে অনেক ভবন
আবার নতুন করে স্থাপিত হয়।
রাজশাহীর তথ্য ও প্রযুক্তি
রাজশাহীকে আইটি সিটি ঘোষনা
করা এখন সময়ের দাবী। রাজশাহীতে
এখন প্রায় ১৫টি সফটওয়ার ফার্ম আছে।
তাছাড়া এখানে দক্ষ জনবল তৈরির
জন্য প্রায় ১০টি ট্রেনিং সেন্টার
আছে। দিন দিন এই সংখা বাড়ছে।
এখানে বড় দুইটি পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিছু প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয় থাকায় আইটির
লোকবলের কোন অভাব নেই।
মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী
নগর প্রশাসন
রাজশাহী নগর ভবন
রাজশাহী মহানগর রাজশাহী সিটি
কপোরেশনের আওতাধীন যা রাসিক
নামে পরিচিত।রাজশাহী
মহানগরকে রাসিক এর আওতায় ৩০ টি
ওয়ার্ডে ভাগ করা হযেছে।
উল্লেখযোগ্য স্থাপনা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
বরেন্দ্র গবেষণা যাদুঘর
বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর
হচ্ছে রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা
জাদুঘর। [৩][৪] ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর
বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড
কারমাইকেল এটি উদ্বোধন করেন।
বাঙালি ইতিহাস, ঐতিহ্য আর
স্থাপত্যশিল্পের বিশাল সম্ভার
রয়েছে এই বরেন্দ্র যাদুঘরে। এই যাদুঘর
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন
ইতিহাস, সংস্কৃতি আর প্রত্নতত্ব
নিয়ে গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ
সংগ্রহশালা। প্রতিদিন প্রাচীন
হিন্দু, বৌদ্ধ এবং মুসলিম সভ্যতার
নিদর্শন দেখতে কয়েকশ' দর্শনার্থী
আসেন এখানে। ১৯৬৪ সাল থেকে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এই জাদুঘর
পরিচালনা করে আসছে। [৫] শনিবার
থেকে বুধবার ১০টা থেকে সাড়ে ৫
টা এবং শুধু মাত্র শুক্রবার যাদুঘর দুপুর
২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা
থাকে জাদুঘরটি। বর্তমানে টিকিট
কেটে ঢুকতে হয় এই যাদুঘরে যার মূল্য
৫ টাকা। যাদুঘরটির ভারপ্রাপ্ত
পরিচালক হিসেবে দায়িত্বপালন
করছেন প্রফেসর সুলতান আহমদ, উপ-
প্রধান সংরক্ষ্ণ কর্মকর্তা হিসেবে
আছেন আব্দুল কুদ্দুস (রনির বাবা লল)।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
রাজশাহী কলেজ-রাজশাহীর
একটি অন্যতম বিখ্যাত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
রিভার ভিউ কালেকটরেট স্কুল,
রাজশাহী
সরদহ সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল
পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
লোকণাথ উচ্চ বিদ্যালয়
আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়
একতা আদর্শ বিদ্যালয়
গভঃ ল্যাবরেটরী হাই স্কুল,
রাজশাহী
লক্ষীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
রাজশাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়
রাজশাহী ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর
হিন্দু একাডেমী
রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ
বিদ্যালয়
রাজশাহী সরকারী বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়, হেলেনাবাদ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ উচ্চ
বিদ্যালয়
রাজশাহী মুশলিম উচ্চ বিদ্যালয়
রাণীবাজর বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়
সাবিত্রী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
সিরোইল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়
শহীদ নজমুল হক উচ্চ বালিকা
বিদ্যালয়
বালিয়া পুকুর বিদ্যানিকেতন
রাজশাহী
রাজশাহী সরকারী মদ্রাসা,
রাজশাহী
বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়
রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল
অগ্রণী বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়।
মসজিদ মিশন একাডেমী (স্কুল ও
কলেজ)
প্যারামাউন্ট স্কুল ও কলেজ
রাজশাহী মডেল স্কুল ও কলেজ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
(যদিও কলেজ শাখা আছে তবুও এটিই
সঠিক না)
শহীদ মামুন মাহমুদ পুলিশ লাইনস্ স্কুল
এন্ড কলেজ
ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড সার্ভে
ইনস্টিটিউট, রাজশাহী
রাজশাহী পলিটেকনিক
ইনস্টিটিউট, রাজশাহী
মহাবিদ্যালয়
রাজশাহী কলেজ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ
উদয়ন ডেন্টাল কলেজ
রাজশাহী নিউ ডিগ্রী কলেজ
রাজশাহী সিটি কলেজ
শাহ্ মখদুম কলেজ
বরেন্দ্র মহাবিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাঙ্গনে স্বাধীনতা যুদ্ধের
স্মরনে নির্মিত ভাষ্কর্য
’সাবাস বাংলাদেশ’
বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

পাবনা জেলার পরিচিতি

পাবনা বাংলাদেশের
উত্তরাঞ্চলের (উত্তরবঙ্গের) একটি
প্রধান শহর। এটি রাজশাহী বিভাগ
এর পাবনা জেলার অন্তর্গত। পাবনা
শহর বিখ্যাত পদ্মানদীর তীরে
অবস্থিত।
যাতায়াত
যমুনা বহুমুখী সেতু পার হয়ে সড়কপথে
রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র চার
ঘণ্টার পথ।
শিক্ষাব্যবস্থা
২০০৮ সালে পাবনায় একটি সরকারী
মেডিক্যাল কলেজ ও পাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যান্য নামকরা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে
রয়েছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় পাবনা জিলা স্কুল ,
পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, এডওয়ার্ড
কলেজ, বুলবুল কলেজ, সরকারী মহিলা
কলেজ, পাবনা সরকারী বালিকা
উচ্চবিদ্যালয় প্রভৃতি।
খ্যাতিমান ব্যক্তিবর্গ
পাবনা জেলায় কতিপয় নামকরা
ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছেন। তাদের
মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেনঃ
জেনারেল জ়ে.এন.চৌধুরী (সাবেক
ভারতীয় সেনাপ্রধান), ব্যবসায়ী
স্যামসন এইচ চৌধুরী, সঙ্গীতশিল্পী
তপন চৌধুরী, বাপ্পী লাহিড়ী,
খ্যাতিমান উপস্থাপক ফজলে
লোহানী, সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী
(ছদ্মনাম বীরবল), কবি বন্দে আলী
মিয়া, জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা
সুচিত্রা সেন প্রমুখ।